দেশের বৈদেশিক মুদ্রার মোট রিজার্ভের পরিমাণ বেড়ে ৩৫ দশমিক ৬১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে। তবে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের বিপিএম-৬ হিসাব পদ্ধতি অনুযায়ী ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩০ দশমিক ৯৬ বিলিয়ন ডলার।
শুক্রবার বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, বৃহস্পতিবার বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে দেশের রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে তিন হাজার ৯৬ কোটি ৪০ হাজার ডলার। অন্যদিকে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব হিসাবে মোট রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে তিন হাজার ৫৬১ কোটি ৬৬ লাখ ৯০ হাজার ডলার।
এর আগের দিন বুধবার বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে রিজার্ভ ছিল তিন হাজার ৬৭ কোটি ৪০ লাখ ৭০ হাজার ডলার। সে সময় বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে মোট রিজার্ভ ছিল তিন হাজার ৫৩৩ কোটি ৭ লাখ ২০ হাজার ডলার।
গত রোববার বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে রিজার্ভের পরিমাণ ছিল তিন হাজার ৫১ কোটি ২২ লাখ ৯০ হাজার ডলার। একই সময়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিজস্ব হিসাবে মোট রিজার্ভ ছিল তিন হাজার ৫২০ কোটি ৪৭ লাখ ২০ হাজার ডলার।
এর আগে ২৩ এপ্রিল বিপিএম-৬ হিসাব অনুযায়ী রিজার্ভ ছিল তিন হাজার ৪৮ কোটি ৪০ লাখ ১০ হাজার ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে তখন মোট রিজার্ভের পরিমাণ ছিল তিন হাজার ৫১১ কোটি ৭৫ লাখ ডলার।
১৬ এপ্রিল বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে রিজার্ভ দাঁড়িয়েছিল তিন হাজার ৩৬ কোটি ৬২ লাখ ৪০ হাজার ডলার। অন্যদিকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিজস্ব হিসাবে মোট রিজার্ভ ছিল তিন হাজার ৫০৩ কোটি ৮০ লাখ ডলার।
এছাড়া ১৫ এপ্রিল বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে রিজার্ভ ছিল তিন হাজার ২০ কোটি ১৭ লাখ ১০ হাজার ডলার। সে সময় বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে মোট রিজার্ভের পরিমাণ ছিল তিন হাজার ৪৮৭ কোটি ৩৩ লাখ ২০ হাজার ডলার।
এরও আগে ৯ এপ্রিল বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে রিজার্ভ ছিল দুই হাজার ৯৯৫ কোটি ২৬ লাখ ৬০ হাজার ডলার। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হিসাবে তখন মোট রিজার্ভের পরিমাণ ছিল তিন হাজার ৪৬৪ কোটি ৫০ লাখ ৪০ হাজার ডলার।
চার মাস আগে, গত ৮ জানুয়ারি আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের হিসাব অনুযায়ী রিজার্ভ ছিল দুই হাজার ৭৮৪ কোটি ৫৩ লাখ ৮০ হাজার ডলার। একই সময়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব হিসাবে মোট রিজার্ভ ছিল তিন হাজার ২৪৩ কোটি ৯৫ লাখ ১০ হাজার ডলার। সেই তুলনায় বর্তমানে রিজার্ভ উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।