• বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১২:১৩ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
অ্যাপভিত্তিক সিএনজি সেবা বন্ধের উদ্যোগে উদ্বেগ, নিরাপত্তা ও কর্মসংস্থানে নেতিবাচক প্রভাবের আশঙ্কা টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক: ২৬ পণ্যে ‘ক্ষতিকর’ উপাদান, তদন্ত চেয়ে হাইকোর্টে রিট ১০ আগস্ট প্রকাশ হচ্ছে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল পার্বতীপুর ও ফুলবাড়ী উপজেলা বিএনপির কমিটি বিলুপ্ত সার্ককে পুনরুজ্জীবিত করতে একমত বাংলাদেশ ও মালদ্বীপ কৃষিভিত্তিক উদ্যোক্তা হতে নবীন শিক্ষার্থীদের প্রতি মন্ত্রীর আহ্বান গুলশানের বাসায় ফিরছেন সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন, চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্কনীতিতে সর্বনিম্ন ১০% শুল্ক পেল বাংলাদেশ, রপ্তানিতে বাড়ছে প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা এআইকে সঠিকভাবে কাজে লাগানোই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ: তথ্যমন্ত্রী হরমুজ প্রণালি সংকটে বাংলাদেশে তীব্র সার সংকটের আশঙ্কা, সতর্ক করল ডব্লিউএফপি

এনসিপির ডা. মাহমুদা মিতুর জীবনের গল্প: শৈশব, চিকিৎসা পেশা থেকে রাজনীতিতে উঠে আসার পথচলা

রিফাতুজ্জামান প্রিন্স / ২৩১৫ Time View
Update : সোমবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০২৫

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. মাহমুদা মিতু তার জীবনপথ, শৈশব, শিক্ষা এবং রাজনীতিতে আসার গল্প তুলে ধরে জানান যে তার ছোটবেলা, কৈশোর ও শিক্ষাজীবন কাটে বরিশাল ও বেতাগীতে, যেখানে তিনি বেতাগী গার্লস হাই স্কুলে পড়েন, ক্লাস এইটে বৃত্তি পান এবং পরে বেতাগী ডিগ্রি কলেজে পড়াশোনা শেষ করে উচ্চশিক্ষার জন্য ঢাকায় আসেন। এসময় বিয়ে, সন্তান এবং নানা দায়িত্বের মাঝেও তিনি গুলশানের শাহাবুদ্দিন মেডিকেল কলেজে ভর্তি হয়ে দুই সন্তানকে সামলাতে সামলাতে পড়াশোনা চালিয়ে যান, চাকরিতে প্রবেশ করতে না পারলেও ঘরে বসে লেখালেখি ও ছোটখাটো কাজ করতেন এবং পরে ‘কেয়ার অব মিতু’ প্ল্যাটফর্মটি তৈরি করেন যা তাকে জনসেবামূলক কাজে যুক্ত করে। ডাক্তার হওয়ার ইচ্ছা তার ছোটবেলা থেকেই ছিল না, বরং বিয়ের পর স্বামী ও ননদকে চিকিৎসক দেখে এবং বিশেষ করে শাশুড়ির ইচ্ছা ও উৎসাহে তিনি চিকিৎসাক্ষেত্রে আসেন যা তিনি ব্যতিক্রমী অভিজ্ঞতা হিসেবে উল্লেখ করেন। চিকিৎসা থেকে রাজনীতিতে আসা নিয়েও তিনি জানান যে এটি কোনো পরিকল্পনার অংশ ছিল না, বরং সময় ও পরিস্থিতির টানে ঘটে; একদিন সামান্তা এবং নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারির ফোন কল থেকেই তার রাজনৈতিক যাত্রা শুরু হয়, যদিও গত দশ বছর ধরে তিনি স্বামীকে বলে আসছিলেন যে একদিন তিনি নির্বাচনে দাঁড়াবেন এবং দাদার মৃত্যুর আগে বলা কথাও তাকে অনুপ্রাণিত করে। তিনি বলেন, গত বছর ৮ আগস্ট তিনি নিজের সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছিলেন—একদিন সংসদ ভবনে তিনি নিজেও প্রবেশ করবেন এবং শেষ পর্যন্ত সবকিছু যেন আল্লাহর ইচ্ছাতেই ঘটে। জুলাই আন্দোলনের স্মৃতি স্মরণ করতে গিয়ে তিনি বলেন, আন্দোলনের সময় তিনি চিকিৎসক গ্রুপে মানুষকে পরামর্শ দেন, লেখালেখি করেন এবং সবার সঙ্গে যোগাযোগ রেখে মাঠে থাকার আহ্বান জানান। আন্দোলনের দিন শাহজাদপুরে ১৪৪ ধারা চলাকালে তিনি ও কয়েকজন আন্দোলনের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, তখনই খালি রাস্তায় একটি এপিসির ভেতর থেকে এক সেনাসদস্য গুলি ছোড়ে এবং তার পাঁচ ফুট দূরে থাকা এক যুবক গুলিবিদ্ধ হয়; এই ঘটনাটিই জুলাই আন্দোলনের সবচেয়ে ভয়াবহ স্মৃতি হিসেবে তার মনে গভীর ট্রমা তৈরি করে এবং আরও বহু বিচ্ছিন্ন ঘটনা তাকে দীর্ঘদিন ঘুমাতে দেয়নি।


More News Of This Category
bdit.com.bd