• শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:০৭ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
প্রভাব-প্রতিপত্তি না দেখে দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে দুদককে রাষ্ট্রপতির নির্দেশ প্রবাসীদের পাসপোর্ট-এনআইডি সেবা আরও দ্রুত ও প্রযুক্তিনির্ভর করার উদ্যোগ পদ্মায় দ্রুত বাড়ছে পানি, আগামী ১–২ দিনে চর ও নিচু এলাকায় বন্যার আশঙ্কা আশুলিয়ায় দম্পতি হত্যার ঘটনায় যুবক গ্রেফতার, আদালতে স্বীকারোক্তির দাবি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় কমিটির সভাপতি আশরাফ উদ্দিন ‘এক দেশ, এক কিউআর’ ব্যবস্থায় গতি বেড়েছে, প্রতিদিন লেনদেন ১২০ কোটি টাকা কিংদাওয়ে কার্গো জাহাজে ভয়াবহ আগুন, নিহত ২০ ৪৭ বছর বয়সে ইমরান তাহিরের রেকর্ড, ১৭ রানে নিলেন ৫ উইকেট ইবাদত ও পারিবারিক আয়োজনে পপির জন্মদিন, বাবাকে মনে করে আবেগাপ্লুত অভিনেত্রী বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানায় ১৪২ পদে নিয়োগ, আবেদন ৬ অক্টোবর পর্যন্ত

আশুলিয়ায় দম্পতি হত্যার ঘটনায় যুবক গ্রেফতার, আদালতে স্বীকারোক্তির দাবি

নিউজ ডেস্ক / ৮ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

সাভারের আশুলিয়ার জামগড়া এলাকায় একটি ভবনের তালাবদ্ধ কক্ষ থেকে ভ্রূণসহ স্বামী-স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় মনিরুজ্জামান ওরফে হৃদয় (৪৪) নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের জেরে ওই দম্পতিকে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। গ্রেফতার ব্যক্তির আদালতে দেওয়া ১৬৪ ধারার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির বরাত দিয়ে পুলিশ জানিয়েছে, মারামারির একপর্যায়ে অন্তঃসত্ত্বা নারীর পেটে লাথি লাগায় তার গর্ভের সন্তান মারা যায়।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর উত্তরায় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) ঢাকা জেলা কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান পিবিআই ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার এন এম মোর্শেদ।

পুলিশ জানায়, গত শনিবার আশুলিয়ার জামগড়া এলাকায় একটি ভবনের দোতলার তালাবদ্ধ কক্ষ থেকে আলমগীর কবির (৪৫), তার স্ত্রী নাজমা খাতুন (৩৯) এবং একটি মৃত ভ্রূণের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনার পরদিন নিহত নাজমার বড় বোন শাপলা বেগম বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে আশুলিয়া থানায় মামলা করেন।

মামলার পর গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মঙ্গলবার আশুলিয়ার নরসিংহপুর এলাকা থেকে মনিরুজ্জামান ওরফে হৃদয়কে গ্রেফতার করে পিবিআই। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নিহত নাজমার পার্স, সিমসহ মুঠোফোন ও পরিচয়পত্র উদ্ধার করা হয়। পিবিআই জানিয়েছে, গ্রেফতারের পর মনিরুজ্জামান আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

আসামির জবানবন্দির বরাত দিয়ে এন এম মোর্শেদ বলেন, মনিরুজ্জামানের সঙ্গে নিহত নাজমার সম্পর্ক ছিল। বিষয়টি জানতে পেরে নাজমার স্বামী আলমগীরের সঙ্গে মনিরুজ্জামানের বিরোধ তৈরি হয়।

ঘটনার দিন নাজমা ও আলমগীর মনিরুজ্জামানের বাসায় গিয়ে তাকে নিজেদের বাসায় নিয়ে আসেন। সেখানে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে আলমগীর ও মনিরুজ্জামানের মধ্যে মারামারি হয়।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, মারামারির একপর্যায়ে অন্তঃসত্ত্বা নাজমার পেটে লাথি মারা হলে তার গর্ভের সন্তান মারা যায়। পরে মনিরুজ্জামান নাজমা ও তার স্বামী আলমগীরকে হত্যা করে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান বলে জবানবন্দিতে উল্লেখ করেছেন।

তবে এ ঘটনায় আর কোনো ব্যক্তি জড়িত ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পিবিআই।


More News Of This Category
bdit.com.bd