ব্যবসায়ী শামসুল কবির পারভেজের বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক মাধ্যমে ও কয়েকটি অনলাইন নিউজ পোর্টালে প্রচারিত অভিযোগগুলোকে ভিত্তিহীন, মনগড়া ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা, ব্যবসায়ী মহল ও তার পরিবার। তাদের অভিযোগ, রাজধানীর শ্যামলীর এই পরিচিত পোশাক শিল্প উদ্যোক্তার বিরুদ্ধে “আজকের বাংলাদেশ” অনলাইন পোর্টাল যাদের অফিস ঠিকানাঃ ৬৯ দিলকুশা বাণিজ্যিক এলাকা, মতিঝিল, ঢাকা ১০০০ , ১১ ডিসেম্বর ২০২৫ এবং “নাগরিক কণ্ঠ” অনলাইন নিউজ পোর্টাল যাদের অফিস ঠিকানাঃ ২১৯/৪ – ক দক্ষিণ পীরেরবাগ আগারগাও , ঢাকা ১০ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে যে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে, তা সম্পূর্ণ অসত্য, প্রমাণবিহীন এবং ব্যক্তিগত বিদ্বেষপ্রসূত। স্থানীয়দের দাবি, একজন প্রতিষ্ঠিত গার্মেন্টস উদ্যোক্তা ও নিয়মিত করদাতার সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যেই পরিকল্পিতভাবে এই মিথ্যা প্রতিবেদন প্রচার করা হয়েছে। সরকারি নথি অনুযায়ী, শামসুল কবির পারভেজ দীর্ঘদিন ধরে নিয়মিত আয়কর প্রদানকারী একজন দায়িত্বশীল নাগরিক; শুধু ২০২৫–২০২৬ অর্থবছরেই তিনি সরকারি কোষাগারে ১৫,৫৮,৪২৯ টাকা আয়কর পরিশোধ করেছেন, যা তার আর্থিক স্বচ্ছতা ও বৈধ ব্যবসায়িক অবস্থানের সুস্পষ্ট প্রমাণ। ব্যবসায়ী সূত্র জানায়, পারভেজ বহু বছর ধরে গার্মেন্টস শিল্পের সঙ্গে যুক্ত থেকে নিজ শ্রম ও উদ্যোগে ব্যবসা গড়ে তুলেছেন এবং তিনি কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত নন; তার বিরুদ্ধে প্রচারিত অভিযোগগুলোর কোনোটি আজ পর্যন্ত কোনো সরকারি নথি, তদন্ত বা আদালতে প্রমাণিত হয়নি। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, “চাঁদা দাবি”, “ভবন দখল”, “জাল ভাউচার”, “অতিরিক্ত সম্পদ”সহ যেসব অভিযোগ ছড়ানো হচ্ছে, সেগুলো সম্পূর্ণ সাজানো গল্প; বরং সম্পদসংক্রান্ত বিরোধ ও এলাকায় আধিপত্য বিস্তারের লক্ষ্যেই একটি সংঘবদ্ধ মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এসব অপপ্রচার চালাচ্ছে। অভিযোগে পারভেজের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে যেসব কুৎসা ও চরিত্রহননের চেষ্টা করা হয়েছে, সেগুলোকে স্থানীয়রা চরমভাবে নিন্দনীয় ও মানহানিকর বলে অভিহিত করেছেন। তারা বলেন, কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী ব্যক্তিগত শত্রুতা বা স্বার্থসিদ্ধির জন্য এভাবে একজন ব্যবসায়ীর সম্মান ও পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে খেলতে পারে না। এসব ভুয়া সংবাদ প্রকাশের বিষয়টি ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে অবগত হওয়ার পর শামসুল কবির পারভেজ বিষয়টিকে গুরুতর হুমকি হিসেবে বিবেচনা করে রাজধানীর শেরেবাংলা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন, যার নম্বর ১০৪৩ (তারিখ: ১৩-১২-২০২৫), যেখানে তিনি উল্লেখ করেন—মিথ্যা সংবাদ প্রকাশের পর থেকে তাকে অজ্ঞাত ব্যক্তিদের মাধ্যমে জীবননাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। পরবর্তীতে তিনি ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে স্বরাষ্ট্র সচিব, তথ্য সচিব, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার ও প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান বরাবর পৃথক আবেদন করে অপপ্রচার ও হুমকির সুষ্ঠু তদন্ত এবং দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করেন। পারভেজের আইনজীবীরা জানান, ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশ, ডিজিটাল মাধ্যমে মানহানি ও কুৎসা রটানো আইন অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ, ফলে অপপ্রচারে জড়িত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। স্থানীয় ব্যবসায়ী মহলের মতে, গার্মেন্টস শিল্প দেশের অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি; এই খাতের উদ্যোক্তাদের বিরুদ্ধে প্রমাণহীন অপপ্রচার শুধু ব্যক্তিগত হয়রানি নয়, বরং শিল্পায়ন ও বিনিয়োগ পরিবেশের জন্যও অশনিসংকেত। তাদের স্পষ্ট বক্তব্য—সত্য উদঘাটনের একমাত্র পথ স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্ত, কিন্তু কোনো প্রমাণ ছাড়া একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ীকে সামাজিকভাবে হেয় করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।