দেশের শেয়ারবাজারে বিপুল সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ প্রত্যাশিত মাত্রায় নেই বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, বর্তমান শেয়ারবাজার শুধু তালিকাভুক্ত কোম্পানির ইক্যুইটি নির্ভর হওয়ায় বাজারে বৈচিত্র্য কম, ফলে বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণও সীমিত।
এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য দ্রুত কমোডিটি এক্সচেঞ্জ চালুর ওপর জোর দিয়েছেন বক্তারা। তাদের মতে, কমোডিটি এক্সচেঞ্জ চালু হলে বাজারে নতুন ধরনের পণ্য যুক্ত হবে, ডেরিভেটিভসসহ বিভিন্ন আর্থিক পণ্যের লেনদেন বাড়বে এবং শেয়ারবাজারের পরিসর আরও বিস্তৃত হবে। এতে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহও বৃদ্ধি পাবে বলে তারা মনে করেন।
রোববার রাজধানীর পল্টনে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ ও ক্যাপিটাল মার্কেট জার্নালিস্টস ফোরামের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত এক কর্মশালায় বক্তারা এসব কথা বলেন। কর্মশালাটি সিএসজেএফের নিজস্ব অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের কমিশনার ফারজানা লালারুখ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের চেয়ারম্যান ড. হাবিবুর রহমান এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাইফুর রহমান মজুমদার।
কর্মশালার সভাপতিত্ব করেন সিএমজেএফ সভাপতি মো. মনির হোসেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবিব রাসেল।