ভারতের পন্ডিচেরিতে অনূর্ধ্ব–১৯ ক্রিকেট দলের কোচ ভেঙ্কটরামনকে মাঠের ভেতর নৃশংসভাবে মারধর করা হয়েছে। সৈয়দ মুশতাক আলি ট্রফির দলে অন্তর্ভুক্ত না করার ক্ষোভ থেকে তিন স্থানীয় ক্রিকেটার এ হামলা চালায় বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর তাদের বিরুদ্ধে হত্যা চেষ্টার মামলা দায়ের করেছে পুলিশ এবং তিনজনকে ধরতে বিশেষ অভিযান চলছে।
পুলিশ জানিয়েছে, সোমবার দুপুরে নেট সেশনের সময় কোচ ভেঙ্কটরামন অনুশীলন পর্যবেক্ষণ করছিলেন। এসময় কার্তিকায়ান, অরবিন্দরাজ ও সন্তোষ কুমারন নামে তিন ক্রিকেটার তার কাছে গিয়ে দলভুক্ত না করার বিষয়টি নিয়ে তর্কে জড়ায়। একপর্যায়ে তারা একটি ক্রিকেট ব্যাট দিয়ে কোচকে ধারাবাহিকভাবে আঘাত করে পালিয়ে যায়।
এক সিনিয়র পুলিশ কর্মকর্তা এনডিটিভিকে বলেন, “আক্রমণটি পরিকল্পিত ছিল এবং অত্যন্ত ভয়ংকর।” তিনি জানান, হামলাকারী তিনজনই এখনও পলাতক।
তীব্র হামলার কারণে কোচ ভেঙ্কটরামন গুরুতর আহত হয়েছেন। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, তার কাঁধ ও পাঁজরে ভাঙন রয়েছে। কপালে গভীর জখমের জায়গায় ২০টি সেলাই দিতে হয়েছে। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন।
তদন্ত কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, হামলার সময় মাঠের সিসিটিভি ক্যামেরা বন্ধ ছিল, যা তদন্তকে আরও জটিল করে তুলেছে।
ঘটনাটি স্থানীয় ক্রিকেট অঙ্গনে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। কর্মকর্তাদের মতে, এ ধরনের ঘটনা তরুণ ক্রিকেটারদের মানসিক চাপ, হতাশা ও শৃঙ্খলা ভাঙার বিপজ্জনক দিক নির্দেশ করে। ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন জানিয়েছে, পুলিশ তদন্ত শেষ হলে অভ্যন্তরীণভাবেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।