• রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ০১:১৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
সরকার ব্যর্থ হলে দেশের ভবিষ্যৎ সংকটে পড়বে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাখাওয়াত হোসেন রাজপথে অস্থিতিশীলতা নয়, দেশ গড়ার আহ্বান তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপনের আগামী পাঁচ দিন বৃষ্টি অব্যাহত, কোথাও কোথাও হতে পারে ভারি বর্ষণ ‘১৮ কোটি মানুষের ৩৬ কোটি চোখ সংসদের দিকে’— প্রত্যাশার কথা জানালেন ভারপ্রাপ্ত স্পিকার কায়সার কামাল শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার ও নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিতে সরকারের প্রতিশ্রুতি: শিমুল বিশ্বাস রাজধানীতে ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৪৩১, উদ্ধার বিপুল মাদক ও স্বর্ণালংকার ডলার শক্তিশালী হওয়ায় স্বর্ণের দামে বড় পতন, তবু পাঁচ মাস পর মাসিক লাভের পথে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসায় নতুন নিয়ম, ৫০ দেশের নাগরিকদের গুনতে হতে পারে ২০ হাজার ডলার পর্যন্ত বন্ড আবারও সাফের সভাপতি হচ্ছেন কাজী সালাহউদ্দিন, বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত প্রায় নিশ্চিত ‘টক্সিক’ নিয়ে সমালোচনার জবাব দিলেন কিয়ারা, ‘চ্যালেঞ্জিং চরিত্রই খুঁজি’

বাংলাদেশের ৩ লাখ ও মালয়েশিয়ার ৫ হাজার রোহিঙ্গাকে ফেরত নিতে রাজি মিয়ানমার

নিউজ ডেস্ক / ১৫ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬

বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া প্রায় ৩ লাখ রোহিঙ্গাকে নিজ দেশে ফিরিয়ে নিতে নীতিগতভাবে সম্মতি দিয়েছে মিয়ানমার। একই সঙ্গে মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত আরও ৫ হাজার রোহিঙ্গাকেও প্রথম ধাপে প্রত্যাবাসনে রাজি হয়েছে দেশটি। বিষয়টিকে দীর্ঘদিনের রোহিঙ্গা সংকট সমাধানের পথে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে উল্লেখ করেছেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম।

আনাদোলু এজেন্সির খবরে বলা হয়েছে, বুধবার (২৯ জুলাই) এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে আনোয়ার ইব্রাহিম জানান, মিয়ানমারের সঙ্গে সাম্প্রতিক দ্বিপক্ষীয় আলোচনার ফলেই এই সমঝোতা হয়েছে। তবে বাংলাদেশে থাকা প্রায় ৩ লাখ রোহিঙ্গার প্রত্যাবাসন কবে শুরু হবে, সে বিষয়ে তিনি নির্দিষ্ট কোনো সময়সূচি উল্লেখ করেননি।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ফ্রি মালয়েশিয়া টুডে–এর বরাতে তিনি বলেন, অনেকেই রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর কথা বলেন, কিন্তু এতদিন মিয়ানমার তাদের গ্রহণে রাজি ছিল না। তিনি জানান, দুই দেশের সুসম্পর্কের ভিত্তিতেই এখন মিয়ানমার প্রথম ধাপে মালয়েশিয়ায় থাকা ৫ হাজার রোহিঙ্গাকে ফিরিয়ে নিতে সম্মত হয়েছে।

রাখাইন রাজ্যে সহিংসতা ও নির্যাতনের মুখে পালিয়ে আসা লাখো রোহিঙ্গা বর্তমানে বাংলাদেশ, মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশে আশ্রয় নিয়ে রয়েছে। এর মধ্যে বাংলাদেশেই বিশ্বের সবচেয়ে বড় রোহিঙ্গা শরণার্থী জনগোষ্ঠীর বসবাস, যেখানে ১৩ লাখের বেশি রোহিঙ্গা অবস্থান করছে।

আনোয়ার ইব্রাহিম বলেন, রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধান নিশ্চিত করতে মিয়ানমারের সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত থাকবে। তার মতে, এই সমঝোতা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং মানবিক সংকট নিরসনের ক্ষেত্রে একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ।

এদিকে, এই ঘোষণা এমন এক সময়ে এসেছে, যখন সম্প্রতি মালয়েশিয়ার পেনাং রাজ্যের একটি বসতি ছেড়ে শতাধিক রোহিঙ্গা কুয়ালালামপুরে জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআরের কার্যালয়ের সামনে জড়ো হন। পরে মালয়েশিয়ার কর্তৃপক্ষ তাদের কুয়ালালামপুর, সেলাঙ্গর এবং পেনাংয়ের অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে স্থানান্তর করে।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর দমন-পীড়নের পর লাখ লাখ রোহিঙ্গা দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়। তাদের বড় একটি অংশ বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়। এছাড়া অনেক রোহিঙ্গা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সমুদ্রপথে মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়াসহ বিভিন্ন দেশে পৌঁছেছেন।


More News Of This Category
bdit.com.bd