• বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ০৪:৪৩ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
সরকারি হাসপাতালের দালাল, টেস্ট বাণিজ্য ও অপ্রয়োজনীয় সিজারিয়ান বন্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আন্তর্জাতিক পানি সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করলেন এমপি ফজলুল হক মিলন টানা ৫ দিনের বৃষ্টির পূর্বাভাস, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভারি বর্ষণের শঙ্কা ‘নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী কি মির্জা ফখরুলের জুতা টানারও যোগ্য?’— রাশেদ খাঁনের কড়া প্রশ্ন সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের গ্রেফতারের দাবিতে ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকদের বিক্ষোভ হরমুজ প্রণালি খুলতে ওমানকে নতুন প্রস্তাব ইরানের, না মানলে বন্ধই থাকবে নৌপথ আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় বললেন নেইমার, শেষ হলো ১৬ বছরের বর্ণাঢ্য অধ্যায় ‘ধুম ফোর’ নিয়ে মুখ খুললেন রণবীর কাপুর, গুঞ্জন উড়িয়ে দিলেন অভিনেতা সীমান্ত ব্যাংকে ‘কল সেন্টার সুপারভাইজার’ পদে নিয়োগ, আবেদন ৪ আগস্ট পর্যন্ত চিতলমারী থানা প্রেস ক্লাবের নবগঠিত কমিটিকে দুর্নীতি সমাচার পরিবারের অভিনন্দন

৪৫ বছর পর গ্রেপ্তার জিয়াউর রহমান হত্যা মামলার পলাতক মেজর মোজাফফর

নিউজ ডেস্ক / ৩৩ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যা মামলার অন্যতম অভিযুক্ত এবং দীর্ঘ ৪৫ বছর ধরে পলাতক থাকা অবসরপ্রাপ্ত মেজর মোজাফফর হোসেনকে আটক করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। বুধবার দিবাগত মধ্যরাতে রাজধানীর বনানী ডিওএইচএস এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। পরে তাকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

১৯৮১ সালের ৩০ মে ভোরে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে একদল বিদ্রোহী সেনা কর্মকর্তার হামলায় তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নিহত হন। তদন্তসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন তথ্য অনুযায়ী, ওই হত্যাকাণ্ডে সরাসরি অংশগ্রহণকারী সেনা কর্মকর্তাদের মধ্যে মেজর মোজাফফর হোসেন ও ক্যাপ্টেন মোসলেহ উদ্দিন অন্যতম ছিলেন। অভিযোগ রয়েছে, মেজর মোজাফফর হোসেনই প্রথম জিয়াউর রহমানকে শনাক্ত করে গুলি চালান এবং হত্যাকাণ্ড নিশ্চিত হওয়ার পর তৎকালীন ২৪ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল আবুল মঞ্জুরকে টেলিফোনে ‘The President has been killed’ বলে জানান।

হত্যাকাণ্ডের পর সেনাবাহিনীর অভিযানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলে মেজর জেনারেল আবুল মঞ্জুরসহ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে মঞ্জুর নিহত হন। ক্যাপ্টেন মোসলেহ উদ্দিন গ্রেপ্তার হয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হলেও মেজর মোজাফফর হোসেন ও মেজর এস এম খালেদ পালিয়ে যেতে সক্ষম হন।

তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, দীর্ঘ সময় মেজর মোজাফফর হোসেন ভারতে আত্মগোপনে ছিলেন। ১৯৯৭-৯৮ সাল পর্যন্ত সেখানে অবস্থানের পর তিনি ছদ্মনাম ব্যবহার করে সীমান্ত পেরিয়ে বিভিন্ন স্থানে গোপনে চলাচল করতেন।

অবশেষে প্রায় ৪৫ বছর পর গোয়েন্দা পুলিশের অভিযানে তাকে আটক করা সম্ভব হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, তার গ্রেপ্তারের মাধ্যমে দেশের অন্যতম আলোচিত রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডের বিচারপ্রক্রিয়ায় নতুন অগ্রগতি সৃষ্টি হয়েছে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।


More News Of This Category
bdit.com.bd