• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১১:২৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
যুক্তরাষ্ট্রের ভিজিটর ভিসা নিয়ে বাংলাদেশিদের সতর্ক করল মার্কিন দূতাবাস ঢাকার মেট্রোরেল লাইন-১-এর বড় দুই প্যাকেজ পেল ভারতের এলঅ্যান্ডটি, ব্যয় ৫ হাজার কোটি রুপির বেশি দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে গ্রিড বিপর্যয়: কারণ অনুসন্ধানে বিদ্যুৎ বিভাগের ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি জাপানে নিটসু লজিস্টিকস হাব পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঢাকা-চট্টগ্রামে গ্রিড বিপর্যয়, অধিকাংশ এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের তারিখ পরিবর্তন, নতুন সময়সূচি ৩১ অক্টোবর নতুন পে স্কেলে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন নিয়ে সিদ্ধান্ত অর্থ মন্ত্রণালয়ের হাতে দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শন ও জনসভায় যোগ দিতে রাজশাহীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ৯ মাসে ৫১৮ সাংবাদিক নির্যাতনের শিকার, মব সহিংসতায় নিহত ১৮৭: এইচআরএসএস জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ উদ্বোধনে যাননি কেন, প্রধানমন্ত্রীর ক্ষোভের জবাব দিলেন গোলাম পরওয়ার

বাংলাদেশের ট্যাক্স ব্যবস্থায় বড় সংকট: ৭২ লাখ টিআইএন হোল্ডার রিটার্নই দেন না—ড. খান জহিরুল ইসলাম

নিউজ ডেস্ক / ২৪৬ Time View
Update : বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬

কানাডিয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতিবিদ ড. খান জহিরুল ইসলাম বলেছেন, বাংলাদেশের কর ব্যবস্থা গভীর সংকটে রয়েছে। দেশের টিআইএন হোল্ডারদের মধ্যে বিপুল সংখ্যক মানুষ কর রিটার্নই দাখিল করেন না, যা রাজস্ব আহরণে বড় বাধা তৈরি করছে।

সম্প্রতি একটি উচ্চপর্যায়ের সেমিনারে তিনি এসব তথ্য তুলে ধরেন। সেখানে তিনি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক দুর্বলতা, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কার্যক্রম, এনবিআর সংস্কার এবং বিভিন্ন দুর্নীতির প্রভাব নিয়ে আলোচনা করেন।

ড. খান জহিরুল ইসলাম জানান, বাংলাদেশে মোট টিআইএন হোল্ডার প্রায় ১ কোটি ২৮ লাখ হলেও এর মধ্যে প্রায় ৭২ লাখ মানুষ কোনো আয়কর রিটার্নই জমা দেন না। পাশাপাশি আরও প্রায় ৪৬ লাখ মানুষ রিটার্ন দাখিল করলেও কর পরিশোধ করেন না।

তিনি আরও বলেন, যারা কর দেন তাদের বড় অংশই ন্যূনতম আয়সীমার নিচে থাকায় কার্যত করযোগ্য নয়। ফলে বাস্তবে মাত্র ১৫ থেকে ১৬ লাখ মানুষই করযোগ্য আয়ের ভিত্তিতে কর প্রদান করছেন, যা মোট টিআইএনধারীর মাত্র প্রায় ৪ শতাংশ।

কর ব্যবস্থার দুর্বলতা তুলে ধরে তিনি বলেন, বাংলাদেশের ট্যাক্স-টু-জিডিপি অনুপাত মাত্র ৬.৬ শতাংশ, যা বিশ্বের মধ্যে অন্যতম নিম্ন। তুলনামূলকভাবে ভারতের ক্ষেত্রে এটি প্রায় ১৮ শতাংশ, ভিয়েতনামে প্রায় ১৯ শতাংশ এবং উন্নত দেশগুলোতে ২৫ থেকে ৩৫ শতাংশ পর্যন্ত।

তিনি বলেন, রাজস্ব আয় বাড়াতে হলে করদাতার সংখ্যা বাড়িয়ে ট্যাক্স বেইস সম্প্রসারণ করা জরুরি। তার মতে, করযোগ্য জনগোষ্ঠীর অংশ বর্তমানে ৪ শতাংশ থেকে কমপক্ষে ৫০ শতাংশে উন্নীত করা প্রয়োজন।

এনবিআর সংস্কার প্রসঙ্গে ড. খান জহিরুল ইসলাম বলেন, রাজস্ব প্রশাসনে বড় ধরনের সংস্কার প্রয়োজন। তবে তিনি উল্লেখ করেন, এনবিআর সংস্কারের কথা উঠলেই অনেক সময় প্রতিরোধ তৈরি হয় এবং দুর্নীতির অভিযোগ ঘিরে জটিলতা সৃষ্টি হয়।

তিনি আরও দাবি করেন, গত বছর এনবিআরের কয়েকজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ১৪৬ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগে মামলা হয়েছে, যেখানে কর ফাঁকির জন্য নথিপত্র জালিয়াতির অভিযোগও রয়েছে।

কর আদায় ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করতে হলে উৎসে কর কাটা এবং কর নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।


More News Of This Category
bdit.com.bd