• বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ১০:৪২ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ৬ নবজাতকের মৃত্যু, তদন্ত প্রতিবেদন জমা মিরপুরে বৃদ্ধার মৃত্যুর ঘটনায় যুগ্ম সচিবকে পদ থেকে সরাল সরকার প্রিপেইড বিদ্যুৎ মিটারের অতিরিক্ত মাসিক চার্জ প্রত্যাহার করল সরকার বেনাপোলে এনসিপি নেতার গাড়িবহরে হামলা, আহত ৪ মধ্যপ্রাচ্য উত্তেজনায় আন্তর্জাতিক স্বর্ণবাজারে দামে পতন, বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে বিদ্রোহ ও সংকটে তৃণমূলের বড় সিদ্ধান্ত, পশ্চিমবঙ্গে সব সাংগঠনিক কমিটি ভেঙে দিল দল ২০২৬ বিশ্বকাপে স্পেন চ্যাম্পিয়ন, ইয়ামাল সেরা খেলোয়াড়—গাভির বড় ভবিষ্যদ্বাণী মণীষা কৈরালার সঙ্গে দৃশ্যে আপত্তি কেন করেছিলেন ববি দেওল? পুরোনো ঘটনার চমকপ্রদ ব্যাখ্যা ট্রান্সকম ইলেকট্রনিক্সে ম্যানেজার পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ জাপানি বিনিয়োগ বাড়াতে মিতসুই প্রতিনিধিদলের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক

বিদ্রোহ ও সংকটে তৃণমূলের বড় সিদ্ধান্ত, পশ্চিমবঙ্গে সব সাংগঠনিক কমিটি ভেঙে দিল দল

নিউজ ডেস্ক / ১ Time View
Update : বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে নতুন করে বড় ধরনের আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। দলীয় সংকট ও অভ্যন্তরীণ বিদ্রোহের প্রেক্ষাপটে তৃণমূল কংগ্রেস রাজ্যের সব সাংগঠনিক কমিটি ভেঙে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।

বুধবার দলীয় নেতৃত্ব জানায়, পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের সব সাংগঠনিক কমিটি, পাশাপাশি সহযোগী ও শাখা সংগঠনের সব কাঠামো অবিলম্বে বিলুপ্ত করা হচ্ছে। দলকে নতুনভাবে সাজাতে পুনর্গঠন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

দল জানিয়েছে, এই পুনর্গঠনের অংশ হিসেবে আত্মসমালোচনা, কর্মদক্ষতার মূল্যায়ন এবং সাংগঠনিক পর্যালোচনা করা হবে। পর্যালোচনা শেষ হলে নতুন কাঠামো ঘোষণা করা হবে।

এই সিদ্ধান্ত এমন সময় এলো, যখন দলের একাংশের বিধায়ক প্রকাশ্যে নেতৃত্বের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন। কয়েকজন বিদ্রোহী বিধায়ক ইতোমধ্যে স্পিকারের কাছে পৃথক পরিষদীয় দল হিসেবে স্বীকৃতির আবেদন করেছেন।

এর ফলে তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ সংকট আরও গভীর হয়েছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

গত নির্বাচনী পরাজয়ের পর থেকেই দলে অসন্তোষ বাড়তে থাকে। প্রার্থী বাছাই, সাংগঠনিক দুর্বলতা এবং নির্বাচনী কৌশল নিয়ে একাধিক নেতা প্রকাশ্যে সমালোচনাও করেন।

দলীয় সূত্র বলছে, ভবিষ্যতে জেলা থেকে বুথ স্তর পর্যন্ত সব সংগঠন নতুনভাবে গঠন করা হবে। মাঠ পর্যায়ে কারা সক্রিয় ছিলেন এবং কারা দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছেন—তা খতিয়ে দেখা হবে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এটি শুধু সাংগঠনিক পরিবর্তন নয়, বরং দলকে পুনর্গঠনের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ ও ঐক্য ফিরিয়ে আনার একটি বড় রাজনৈতিক উদ্যোগ।

অনেকেই মনে করছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অতীতেও সংকটের সময় এমন সিদ্ধান্ত নিয়ে দলকে পুনরুজ্জীবিত করেছেন। তবে এবারের পরিস্থিতি তুলনামূলকভাবে বেশি জটিল।

সব মিলিয়ে বিদ্রোহ, পরাজয় ও নেতৃত্ব সংকটে থাকা তৃণমূল এখন কঠিন সময় পার করছে। দল কতটা ঐক্যবদ্ধভাবে ঘুরে দাঁড়াতে পারে, সেটাই এখন মূল প্রশ্ন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd