প্রথম সেশনে তিন উইকেট হারানোর পর দ্বিতীয় সেশনেও স্বস্তি পায়নি বাংলাদেশ দল। লাঞ্চের পর মাত্র ১৫ রান যোগ করতেই আরও তিনটি উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় দল। ৫৪ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১৬৮ রান, হাতে আছে মাত্র চারটি উইকেট।
লাঞ্চের পর ব্যাটিংয়ে নেমে একটি সুযোগ পেয়েছিলেন মুশফিকুর রহিম। সাজিদ খানের বলে উইকেটকিপার রিজওয়ানের হাতে ক্যাচ দেন তিনি। তবে ফিল্ড আম্পায়ার তাকে আউট দেননি। পাকিস্তান রিভিউ নেওয়ার সুযোগ থাকলেও তারা তা নেয়নি। পরে রিপ্লেতে দেখা যায় বল সত্যিই মুশফিকের গ্লাভস ছুঁয়েছিল। জীবন পাওয়ার পরও বড় ইনিংস খেলতে পারেননি তিনি। খুররম শাহজাদের ভেতরে ঢোকা বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ২৩ রানে ফেরেন মুশফিক।
এর আগে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন আউট হন মুহাম্মদ আব্বাসের বলে ২৯ রানে।
মুশফিকের পর মেহেদী হাসান মিরাজও বেশি সময় ক্রিজে থাকতে পারেননি। শাহজাদের বাউন্সারে ক্যাচ দিয়ে মাত্র ৪ রানে বিদায় নেন তিনি। ৩৮ ওভারে বাংলাদেশের ছয়টি উইকেট পড়ে যায়।
এরপর লিটন দাস ও তাইজুল ইসলাম দলকে কিছুটা সামলে নেন। সপ্তম উইকেটে তারা ৫২ রানের জুটি গড়েন। লিটন দায়িত্বশীল ব্যাটিং করেন এবং এই জুটির মধ্যে সর্বোচ্চ ৩৯ রান আসে তার ব্যাট থেকে।