আইসিসি টুর্নামেন্টে ধারাবাহিক ব্যর্থতার ধারা কাটাতে পারল না পাকিস্তান। টানা চতুর্থবারের মতো কোনো বৈশ্বিক আসরে সেমিফাইনালে উঠতে ব্যর্থ হয়েছে দলটি। আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬–এ সুপার এইট পর্ব থেকেই বিদায় নিতে হয় তাদের।
এবারের হতাশাজনক পারফরম্যান্সের পর কঠোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, টুর্নামেন্টে খারাপ পারফরম্যান্সের কারণে স্কোয়াডের প্রত্যেক খেলোয়াড়কে ৫০ লাখ পাকিস্তানি রুপি জরিমানা করা হয়েছে। এটি শৃঙ্খলাভঙ্গের জন্য নয়, শুধুমাত্র পারফরম্যান্সজনিত কারণেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
জানা যায়, গ্রুপ পর্বে ভারতের বিপক্ষে ৬১ রানের বড় ব্যবধানে হারের পরই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে শর্ত ছিল, দল যদি সেমিফাইনালে উঠতে পারে, তাহলে জরিমানার সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করা হবে।
পাকিস্তান দ্বিতীয় রাউন্ডে উঠলেও ভাগ্য সহায় হয়নি। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ বৃষ্টিতে পরিত্যক্ত হয়। পরে ইংল্যান্ডের কাছে পরাজিত হয় তারা। শেষ ম্যাচে শ্রীলঙ্কাকে হারালেও বড় ব্যবধানে জয় না পাওয়ায় নেট রানরেটে পিছিয়ে থেকে নিউজিল্যান্ডের নিচে থেকে বিদায় নিশ্চিত হয়।
এ বিষয়ে সামা টিভিতে কথা বলেন সাবেক অধিনায়ক শহীদ আফ্রিদি। তিনি বলেন, এই সিদ্ধান্ত বোঝা কঠিন এবং এটি সংকীর্ণ মানসিকতার প্রতিফলন। তার ভাষায়, ৫০ লাখ রুপি খুব ছোট অঙ্ক, যা প্রকৃত শাস্তি হিসেবে বিবেচিত হওয়ার মতো নয়।
আফ্রিদি আরও কঠোর ব্যবস্থার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, যারা পারফর্ম করতে পারেনি, তাদের প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে পাঠানো উচিত। তার মতে, কিছু খেলোয়াড় অন্তত দুই বছর জাতীয় দলে থাকার যোগ্য নয়।