অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার পর একজন মায়ের দায়িত্ব অনেকটাই বেড়ে যায়, কারণ তার গর্ভেই বেড়ে ওঠে নতুন প্রাণ। এই সময়ে শারীরিক যত্নের পাশাপাশি মানসিক সুস্থতাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আর সেই মানসিক স্বস্তির বড় একটি অংশ নির্ভর করে স্বামীর সহানুভূতি ও উপস্থিতির ওপর।
অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায়, ভবিষ্যতের দায়িত্ব সামলানোর চিন্তায় স্বামী কর্মব্যস্ত হয়ে পড়েন এবং স্ত্রীকে যথেষ্ট সময় দিতে পারেন না। এতে করে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দূরত্ব ও ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হতে পারে। একজনের চেষ্টা আরেকজনের কাছে ধরা পড়ে না, ফলে মানসিক চাপ বাড়তে থাকে।
অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় হরমোনজনিত কারণে নারীর আবেগে পরিবর্তন আসে। এ সময় সঙ্গীর সামান্য যত্ন ও উপস্থিতি তাকে মানসিকভাবে অনেকটা স্বস্তি দেয়। কিন্তু এই বিষয়টি অনেকেই যথাযথভাবে উপলব্ধি করতে পারেন না।
এ প্রসঙ্গে বলিউড অভিনেত্রী Deepika Padukone নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন। তিনি জানান, তার স্বামী Ranveer Singh ব্যস্ততার মাঝেও সবসময় পাশে থাকার চেষ্টা করেছেন। বিদেশে শুটিং চললেও সুযোগ পেলেই কয়েক দিনের ছুটি নিয়ে পরিবারের কাছে ছুটে আসতেন তিনি।
দীপিকার ভাষ্য অনুযায়ী, সবসময় পাশে থাকা সম্ভব না হলেও সঙ্গীর আন্তরিক চেষ্টা এবং যত্নই তাকে মানসিকভাবে শক্তি জুগিয়েছে। স্বামীর এই মনোভাবের কারণে তিনি কখনোই নিজেকে অবহেলিত মনে করেননি, বরং আরও বেশি নিরাপদ ও যত্নে থাকার অনুভূতি পেয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, যারা প্রথমবার বাবা-মা হতে যাচ্ছেন, তাদের অনেকেই কর্মজীবনের ব্যস্ত সময়ে থাকেন। তবুও কাজের পাশাপাশি পরিবারের জন্য কিছুটা সময় বের করার চেষ্টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই সামান্য চেষ্টাই দাম্পত্য সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করে এবং অন্তঃসত্ত্বা মায়ের মানসিক সুস্থতায় বড় ভূমিকা রাখে।