• বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ০৯:৫৫ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
আগস্টেও বাড়ছে না জ্বালানি তেলের দাম, অপরিবর্তিত থাকছে সব ধরনের জ্বালানির মূল্য প্রথমবার লটারিতে গণপূর্তের ৭৬৭ উপ-সহকারী প্রকৌশলীর বদলি, নতুন নজির সরকারের মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খুলল, আগস্টের শেষ সপ্তাহ থেকেই যেতে পারবেন বাংলাদেশি কর্মীরা হজযাত্রীদের জন্য বড় সুখবর, বিমান টিকিটে আরও ২৫ হাজার টাকা কমানোর ঘোষণা ধামা ইলিয়াছের তথ্যে গ্রেফতার ডেভিড ইমন, উদ্ধার বিদেশি পিস্তলসহ অস্ত্রের মজুদ ৪ আগস্ট বিএনপির আলোচনা সভা, প্রধান অতিথি থাকবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একীভূত ৫ ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকদের জন্য সুখবর, ১০ লাখ টাকা উত্তোলনের সুযোগ আরও সহজ বাংলাদেশের ৩ লাখ ও মালয়েশিয়ার ৫ হাজার রোহিঙ্গাকে ফেরত নিতে রাজি মিয়ানমার ১০০ মিলিয়ন ইউরোর প্রস্তাব ফিরিয়েছিলেন লেভানডফস্কি, কারণ জানালেন তার এজেন্ট ‘আমি আইনের ওপর বিশ্বাসী, সত্য একদিন প্রকাশ হবেই’— বিয়ে ও মামলা নিয়ে মুখ খুললেন পরীমনি

অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীর পাশে স্বামীর ভূমিকা কতটা জরুরি, জানালেন দীপিকা

Reporter Name / ৯১ Time View
Update : বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬

অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার পর একজন মায়ের দায়িত্ব অনেকটাই বেড়ে যায়, কারণ তার গর্ভেই বেড়ে ওঠে নতুন প্রাণ। এই সময়ে শারীরিক যত্নের পাশাপাশি মানসিক সুস্থতাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আর সেই মানসিক স্বস্তির বড় একটি অংশ নির্ভর করে স্বামীর সহানুভূতি ও উপস্থিতির ওপর।

অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায়, ভবিষ্যতের দায়িত্ব সামলানোর চিন্তায় স্বামী কর্মব্যস্ত হয়ে পড়েন এবং স্ত্রীকে যথেষ্ট সময় দিতে পারেন না। এতে করে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দূরত্ব ও ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হতে পারে। একজনের চেষ্টা আরেকজনের কাছে ধরা পড়ে না, ফলে মানসিক চাপ বাড়তে থাকে।

অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় হরমোনজনিত কারণে নারীর আবেগে পরিবর্তন আসে। এ সময় সঙ্গীর সামান্য যত্ন ও উপস্থিতি তাকে মানসিকভাবে অনেকটা স্বস্তি দেয়। কিন্তু এই বিষয়টি অনেকেই যথাযথভাবে উপলব্ধি করতে পারেন না।

এ প্রসঙ্গে বলিউড অভিনেত্রী Deepika Padukone নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন। তিনি জানান, তার স্বামী Ranveer Singh ব্যস্ততার মাঝেও সবসময় পাশে থাকার চেষ্টা করেছেন। বিদেশে শুটিং চললেও সুযোগ পেলেই কয়েক দিনের ছুটি নিয়ে পরিবারের কাছে ছুটে আসতেন তিনি।

দীপিকার ভাষ্য অনুযায়ী, সবসময় পাশে থাকা সম্ভব না হলেও সঙ্গীর আন্তরিক চেষ্টা এবং যত্নই তাকে মানসিকভাবে শক্তি জুগিয়েছে। স্বামীর এই মনোভাবের কারণে তিনি কখনোই নিজেকে অবহেলিত মনে করেননি, বরং আরও বেশি নিরাপদ ও যত্নে থাকার অনুভূতি পেয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, যারা প্রথমবার বাবা-মা হতে যাচ্ছেন, তাদের অনেকেই কর্মজীবনের ব্যস্ত সময়ে থাকেন। তবুও কাজের পাশাপাশি পরিবারের জন্য কিছুটা সময় বের করার চেষ্টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই সামান্য চেষ্টাই দাম্পত্য সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করে এবং অন্তঃসত্ত্বা মায়ের মানসিক সুস্থতায় বড় ভূমিকা রাখে।


More News Of This Category
bdit.com.bd