• বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ০৭:১৫ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
আগস্টেও বাড়ছে না জ্বালানি তেলের দাম, অপরিবর্তিত থাকছে সব ধরনের জ্বালানির মূল্য প্রথমবার লটারিতে গণপূর্তের ৭৬৭ উপ-সহকারী প্রকৌশলীর বদলি, নতুন নজির সরকারের মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খুলল, আগস্টের শেষ সপ্তাহ থেকেই যেতে পারবেন বাংলাদেশি কর্মীরা হজযাত্রীদের জন্য বড় সুখবর, বিমান টিকিটে আরও ২৫ হাজার টাকা কমানোর ঘোষণা ধামা ইলিয়াছের তথ্যে গ্রেফতার ডেভিড ইমন, উদ্ধার বিদেশি পিস্তলসহ অস্ত্রের মজুদ ৪ আগস্ট বিএনপির আলোচনা সভা, প্রধান অতিথি থাকবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একীভূত ৫ ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকদের জন্য সুখবর, ১০ লাখ টাকা উত্তোলনের সুযোগ আরও সহজ বাংলাদেশের ৩ লাখ ও মালয়েশিয়ার ৫ হাজার রোহিঙ্গাকে ফেরত নিতে রাজি মিয়ানমার ১০০ মিলিয়ন ইউরোর প্রস্তাব ফিরিয়েছিলেন লেভানডফস্কি, কারণ জানালেন তার এজেন্ট ‘আমি আইনের ওপর বিশ্বাসী, সত্য একদিন প্রকাশ হবেই’— বিয়ে ও মামলা নিয়ে মুখ খুললেন পরীমনি

বাংলাদেশের ৩ লাখ ও মালয়েশিয়ার ৫ হাজার রোহিঙ্গাকে ফেরত নিতে রাজি মিয়ানমার

নিউজ ডেস্ক / ১ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬

বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া প্রায় ৩ লাখ রোহিঙ্গাকে নিজ দেশে ফিরিয়ে নিতে নীতিগতভাবে সম্মতি দিয়েছে মিয়ানমার। একই সঙ্গে মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত আরও ৫ হাজার রোহিঙ্গাকেও প্রথম ধাপে প্রত্যাবাসনে রাজি হয়েছে দেশটি। বিষয়টিকে দীর্ঘদিনের রোহিঙ্গা সংকট সমাধানের পথে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে উল্লেখ করেছেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম।

আনাদোলু এজেন্সির খবরে বলা হয়েছে, বুধবার (২৯ জুলাই) এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে আনোয়ার ইব্রাহিম জানান, মিয়ানমারের সঙ্গে সাম্প্রতিক দ্বিপক্ষীয় আলোচনার ফলেই এই সমঝোতা হয়েছে। তবে বাংলাদেশে থাকা প্রায় ৩ লাখ রোহিঙ্গার প্রত্যাবাসন কবে শুরু হবে, সে বিষয়ে তিনি নির্দিষ্ট কোনো সময়সূচি উল্লেখ করেননি।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ফ্রি মালয়েশিয়া টুডে–এর বরাতে তিনি বলেন, অনেকেই রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর কথা বলেন, কিন্তু এতদিন মিয়ানমার তাদের গ্রহণে রাজি ছিল না। তিনি জানান, দুই দেশের সুসম্পর্কের ভিত্তিতেই এখন মিয়ানমার প্রথম ধাপে মালয়েশিয়ায় থাকা ৫ হাজার রোহিঙ্গাকে ফিরিয়ে নিতে সম্মত হয়েছে।

রাখাইন রাজ্যে সহিংসতা ও নির্যাতনের মুখে পালিয়ে আসা লাখো রোহিঙ্গা বর্তমানে বাংলাদেশ, মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশে আশ্রয় নিয়ে রয়েছে। এর মধ্যে বাংলাদেশেই বিশ্বের সবচেয়ে বড় রোহিঙ্গা শরণার্থী জনগোষ্ঠীর বসবাস, যেখানে ১৩ লাখের বেশি রোহিঙ্গা অবস্থান করছে।

আনোয়ার ইব্রাহিম বলেন, রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধান নিশ্চিত করতে মিয়ানমারের সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত থাকবে। তার মতে, এই সমঝোতা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং মানবিক সংকট নিরসনের ক্ষেত্রে একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ।

এদিকে, এই ঘোষণা এমন এক সময়ে এসেছে, যখন সম্প্রতি মালয়েশিয়ার পেনাং রাজ্যের একটি বসতি ছেড়ে শতাধিক রোহিঙ্গা কুয়ালালামপুরে জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআরের কার্যালয়ের সামনে জড়ো হন। পরে মালয়েশিয়ার কর্তৃপক্ষ তাদের কুয়ালালামপুর, সেলাঙ্গর এবং পেনাংয়ের অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে স্থানান্তর করে।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর দমন-পীড়নের পর লাখ লাখ রোহিঙ্গা দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়। তাদের বড় একটি অংশ বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়। এছাড়া অনেক রোহিঙ্গা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সমুদ্রপথে মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়াসহ বিভিন্ন দেশে পৌঁছেছেন।


More News Of This Category
bdit.com.bd