• রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৫৮ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
শেভরনের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনা জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘুষের অভিযোগের তদন্তের পরই বদলি শিক্ষা কর্মকর্তা, উঠছে প্রশ্ন আদানির গোড্ডা কেন্দ্রের ৮০০ মেগাওয়াট ইউনিট থেকে ফের বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ প্রেম-রোমান্সনির্ভর সিনেমা-নাটক বন্ধে হাইকোর্টে জনস্বার্থের রিট শেখ হাসিনার আমলে বিরোধীদের স্বাভাবিকভাবে বেঁচে থাকার অধিকার ছিল না: রিজভী আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশে আরও ৫ বিলিয়ন ডলারের মার্কিন বিনিয়োগ আনার লক্ষ্য ট্রাম্পের দাবি, ‘চাঁদ আমাদের’; মহাকাশ থেকে নিউ মেক্সিকো—নাম বদলের হিড়িক মেসির গোলেও জয় পেল না মিয়ামি, ন্যাশভিলের সঙ্গে ২-২ ড্র আমিশা প্যাটেলের মায়ের বাড়িতে ৫ লাখ রুপির গয়না চুরি, গৃহকর্মী গ্রেফতার

বাংলাদেশের ৩ লাখ ও মালয়েশিয়ার ৫ হাজার রোহিঙ্গাকে ফেরত নিতে রাজি মিয়ানমার

নিউজ ডেস্ক / ৯৫ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬

বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া প্রায় ৩ লাখ রোহিঙ্গাকে নিজ দেশে ফিরিয়ে নিতে নীতিগতভাবে সম্মতি দিয়েছে মিয়ানমার। একই সঙ্গে মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত আরও ৫ হাজার রোহিঙ্গাকেও প্রথম ধাপে প্রত্যাবাসনে রাজি হয়েছে দেশটি। বিষয়টিকে দীর্ঘদিনের রোহিঙ্গা সংকট সমাধানের পথে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে উল্লেখ করেছেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম।

আনাদোলু এজেন্সির খবরে বলা হয়েছে, বুধবার (২৯ জুলাই) এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে আনোয়ার ইব্রাহিম জানান, মিয়ানমারের সঙ্গে সাম্প্রতিক দ্বিপক্ষীয় আলোচনার ফলেই এই সমঝোতা হয়েছে। তবে বাংলাদেশে থাকা প্রায় ৩ লাখ রোহিঙ্গার প্রত্যাবাসন কবে শুরু হবে, সে বিষয়ে তিনি নির্দিষ্ট কোনো সময়সূচি উল্লেখ করেননি।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ফ্রি মালয়েশিয়া টুডে–এর বরাতে তিনি বলেন, অনেকেই রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর কথা বলেন, কিন্তু এতদিন মিয়ানমার তাদের গ্রহণে রাজি ছিল না। তিনি জানান, দুই দেশের সুসম্পর্কের ভিত্তিতেই এখন মিয়ানমার প্রথম ধাপে মালয়েশিয়ায় থাকা ৫ হাজার রোহিঙ্গাকে ফিরিয়ে নিতে সম্মত হয়েছে।

রাখাইন রাজ্যে সহিংসতা ও নির্যাতনের মুখে পালিয়ে আসা লাখো রোহিঙ্গা বর্তমানে বাংলাদেশ, মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশে আশ্রয় নিয়ে রয়েছে। এর মধ্যে বাংলাদেশেই বিশ্বের সবচেয়ে বড় রোহিঙ্গা শরণার্থী জনগোষ্ঠীর বসবাস, যেখানে ১৩ লাখের বেশি রোহিঙ্গা অবস্থান করছে।

আনোয়ার ইব্রাহিম বলেন, রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধান নিশ্চিত করতে মিয়ানমারের সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত থাকবে। তার মতে, এই সমঝোতা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং মানবিক সংকট নিরসনের ক্ষেত্রে একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ।

এদিকে, এই ঘোষণা এমন এক সময়ে এসেছে, যখন সম্প্রতি মালয়েশিয়ার পেনাং রাজ্যের একটি বসতি ছেড়ে শতাধিক রোহিঙ্গা কুয়ালালামপুরে জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআরের কার্যালয়ের সামনে জড়ো হন। পরে মালয়েশিয়ার কর্তৃপক্ষ তাদের কুয়ালালামপুর, সেলাঙ্গর এবং পেনাংয়ের অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্রে স্থানান্তর করে।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর দমন-পীড়নের পর লাখ লাখ রোহিঙ্গা দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়। তাদের বড় একটি অংশ বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়। এছাড়া অনেক রোহিঙ্গা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সমুদ্রপথে মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়াসহ বিভিন্ন দেশে পৌঁছেছেন।


More News Of This Category
bdit.com.bd