• বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ০৮:২৬ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
সরকারি হাসপাতালের দালাল, টেস্ট বাণিজ্য ও অপ্রয়োজনীয় সিজারিয়ান বন্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আন্তর্জাতিক পানি সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করলেন এমপি ফজলুল হক মিলন টানা ৫ দিনের বৃষ্টির পূর্বাভাস, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভারি বর্ষণের শঙ্কা ‘নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী কি মির্জা ফখরুলের জুতা টানারও যোগ্য?’— রাশেদ খাঁনের কড়া প্রশ্ন সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের গ্রেফতারের দাবিতে ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকদের বিক্ষোভ হরমুজ প্রণালি খুলতে ওমানকে নতুন প্রস্তাব ইরানের, না মানলে বন্ধই থাকবে নৌপথ আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় বললেন নেইমার, শেষ হলো ১৬ বছরের বর্ণাঢ্য অধ্যায় ‘ধুম ফোর’ নিয়ে মুখ খুললেন রণবীর কাপুর, গুঞ্জন উড়িয়ে দিলেন অভিনেতা সীমান্ত ব্যাংকে ‘কল সেন্টার সুপারভাইজার’ পদে নিয়োগ, আবেদন ৪ আগস্ট পর্যন্ত চিতলমারী থানা প্রেস ক্লাবের নবগঠিত কমিটিকে দুর্নীতি সমাচার পরিবারের অভিনন্দন

ইন্টারপোলের মাধ্যমে শিবপুর উপজেলা চেয়ারম্যান হারুন হত্যার আসামি মহসিনকে আনা হলো দেশে

Reporter Name / ৪১১ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৫ আগস্ট, ২০২৫

নরসিংদীর শিবপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হারুনুর রশিদ খান হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি মহসিন মিয়াকে (৪৬) দুবাই থেকে দেশে ফিরিয়ে এনেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। ইন্টারপোলের রেড নোটিশের ভিত্তিতে দুবাই পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে এবং বাংলাদেশ পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।

আজ বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই) পিবিআই সদর দপ্তর থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, বাংলাদেশ পুলিশের একটি প্রতিনিধি দল ১৫ জুলাই দুবাই গিয়ে ২০ জুলাই মহসিন মিয়াকে দেশে নিয়ে আসে। দেশে ফিরেই মহসিন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

২০২৩ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি সকালে হারুনুর রশিদ খান শিবপুর উপজেলার নিজ বাসায় গুলিবিদ্ধ হন। ৯৪ দিন রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

হত্যাকাণ্ডের আগের দিন রাতে আসামি আরিফ সরকার একটি বিদেশি নম্বর থেকে হারুনুর রশিদকে ফোন করে জানান, তিনি বিদেশে আছেন এবং মহসিন মিয়া মসজিদের জন্য কিছু অনুদান নিয়ে তার বাসায় যাবেন। চেয়ারম্যান তাকে পাঠাতে বলেন। পরদিন সকালে মহসিন মিয়া আরও দুইজনকে সঙ্গে নিয়ে তার বাসায় যায়। হারুনুর রশিদ নাস্তা আনতে গিয়ে দাঁড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে তার সঙ্গীরা তাকে গুলি করে। এরপর তারা মোটরসাইকেলে করে পালিয়ে যায় এবং পরে প্রাইভেট কারে করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশ করে দুবাই পালিয়ে যায়।

এই ঘটনায় চেয়ারম্যানের ছেলে আমিনুর রশিদ খান ৬ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত ১০–১২ জনকে আসামি করে শিবপুর থানায় মামলা করেন। আসামিরা হলেন কামারগাঁও এলাকার আরিফ সরকার, ইরান মোল্লা ও হুমায়ুন, পূর্ব সৈয়দনগরের মহসিন মিয়া, মুনসেফেরচরের শাকিল এবং ভেলানগরের গাড়িচালক নূর মোহাম্মদ।

ঘটনার পরপরই নূর মোহাম্মদকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর ৭ মার্চ ফরহাদ হোসেন (৩৪) ও আরিফুল ইসলাম (২৮) নামে আরও দুজনকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করা হয়। পিবিআই তদন্তভার পাওয়ার পর জহিরুল ইসলাম নামে আরেক পলাতক আসামিকে বিদেশে পালানোর সময় গ্রেপ্তার করা হয়।

পিবিআই পরে ইন্টারপোলের মাধ্যমে আসামি আরিফ, মহসিন ও হুমায়ুনের অবস্থান শনাক্ত করে। রেড নোটিশ জারির পর ২১ মে দুবাই পুলিশ মহসিন মিয়াকে গ্রেপ্তার করে।

এ পর্যন্ত মামলাটিতে ১৭ জনকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পিবিআইয়ের অতিরিক্ত ডিআইজি এস এম মোস্তাইন হোসেন


More News Of This Category
bdit.com.bd