• রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:০৪ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
শেভরনের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনা জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘুষের অভিযোগের তদন্তের পরই বদলি শিক্ষা কর্মকর্তা, উঠছে প্রশ্ন আদানির গোড্ডা কেন্দ্রের ৮০০ মেগাওয়াট ইউনিট থেকে ফের বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ প্রেম-রোমান্সনির্ভর সিনেমা-নাটক বন্ধে হাইকোর্টে জনস্বার্থের রিট শেখ হাসিনার আমলে বিরোধীদের স্বাভাবিকভাবে বেঁচে থাকার অধিকার ছিল না: রিজভী আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশে আরও ৫ বিলিয়ন ডলারের মার্কিন বিনিয়োগ আনার লক্ষ্য ট্রাম্পের দাবি, ‘চাঁদ আমাদের’; মহাকাশ থেকে নিউ মেক্সিকো—নাম বদলের হিড়িক মেসির গোলেও জয় পেল না মিয়ামি, ন্যাশভিলের সঙ্গে ২-২ ড্র আমিশা প্যাটেলের মায়ের বাড়িতে ৫ লাখ রুপির গয়না চুরি, গৃহকর্মী গ্রেফতার

ডলারের বাজারে বড় পরিবর্তন, সাড়ে তিন মাস পর ৫ কোটি ডলার কিনল বাংলাদেশ ব্যাংক

নিউজ ডেস্ক / ২৯ Time View
Update : বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

বাজারে ডলারের সরবরাহ বেড়ে যাওয়ায় দাম কমার পরিপ্রেক্ষিতে প্রায় সাড়ে তিন মাস পর বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে নিলামের মাধ্যমে ৫ কোটি মার্কিন ডলার কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এ ডলার কেনার কার্যক্রম পরিচালনা করে। এর আগে সর্বশেষ গত ২০ মে বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ডলার কিনেছিল বাংলাদেশ ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সংশ্লিষ্ট ব্যাংকাররা জানান, মঙ্গলবার সকালে দেশের ডলারের বাজারে নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা যায়। এ সময় বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো রেমিট্যান্স হাউজ থেকে প্রতি ডলার ১২২ টাকা ৩০ পয়সা থেকে ১২২ টাকা ৪০ পয়সা দরে কিনছিল। অন্যদিকে, আমদানি দায় বা এলসি নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে ডলারের দর ছিল ১২২ টাকা ৫০ পয়সা থেকে ১২২ টাকা ৬০ পয়সার মধ্যে।

তবে দুপুরের দিকে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রতি ডলার ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা দরে কেনার ঘোষণা দিলে এর তাৎক্ষণিক প্রভাব পড়ে ডলারের বাজারে। বিকেলের দিকে বেশ কয়েকটি ব্যাংক একই দরে রেমিট্যান্সের ডলার কেনা এবং এলসি নিষ্পত্তির কার্যক্রম শুরু করে।

জানা গেছে, মঙ্গলবার দুপুর ১টার দিকে বাংলাদেশ ব্যাংক বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে ডলার কেনার সিদ্ধান্তের বিষয়টি জানায়। সাধারণত কেন্দ্রীয় ব্যাংক ডলার কেনার সিদ্ধান্ত নিলে দিনের শুরুতেই বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে এ বিষয়ে অবহিত করা হয়। কিন্তু মঙ্গলবার দুপুরে সিদ্ধান্ত জানানোয় সকালে ব্যাংকগুলো তুলনামূলক কম দরে বিভিন্ন ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের এলসি নিষ্পত্তি করে।

ব্যাংকারদের ভাষ্য অনুযায়ী, গত দুই সপ্তাহে ডলারের বিনিময়দরে উল্লেখযোগ্য ওঠানামা হয়েছে। গত সপ্তাহের শেষ দিকে প্রতি ডলারের দর বেড়ে ১২৩ টাকা ৬৫ পয়সা পর্যন্ত উঠেছিল। এর আগে দুই সপ্তাহ আগে ডলারের দর নেমে এসেছিল ১২২ টাকায়।

ফলে অল্প সময়ের ব্যবধানে ডলারের দরে প্রায় দেড় টাকার ওঠানামা হওয়ায় ব্যাংকারদের পাশাপাশি আমদানিকারক ও অন্যান্য গ্রাহকদের মধ্যেও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। ডলারের দরের এই অস্থিরতার মধ্যে অনেক গ্রাহক ঝুঁকি কমাতে ফরওয়ার্ড বুকিংয়ের মাধ্যমে আগাম ডলার সংগ্রহের আগ্রহ দেখাচ্ছেন।


More News Of This Category
bdit.com.bd