• সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:০৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
‘হ্যালো ডিসি’তে আবেদন করে সেলাই মেশিন পেলেন দোহারের ১৪ অসহায় নারী বেনজীরের দুবাইয়ে মুক্তির বিষয়ে আনুষ্ঠানিক তথ্য নেই, যা করণীয় দুদক করবে: মহাপরিচালক দেশব্যাপী এআই প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু, ৬৪ জেলায় ১,৬০০ তরুণ-তরুণী পাবেন দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগ প্রবাসীদের ঝুলে থাকা পাসপোর্ট আবেদন ৬০ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তির নির্দেশ হাইকোর্টের ‘জুলাইয়ের অর্জনের চেয়ে ব্যর্থতার আলোচনা বেশি, জাতীয় অনৈক্যের দায় বিতর্ক সৃষ্টিকারীদের’ কাঁচা মরিচ আমদানির অনুমতি দিল সরকার, ২-৫ দিনের মধ্যে কমতে পারে দাম ডিএমপির ২৪ ঘণ্টার অভিযানে গ্রেফতার ৪৩১, উদ্ধার বিদেশি পিস্তল ও ১৪ হাজার ইয়াবা বিনামূল্যে ১৪ দিনের পর্যটন ভিসা চালু করল ওমান দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে বড় ব্যবধানে হার, মাত্র ৮৯ রানেই গুটিয়ে গেল বাংলাদেশ ইমার্জিং দল ৩১তম বিবাহবার্ষিকীতে মৌসুমীকে আবেগঘন বার্তা দিলেন ওমর সানী

‘হ্যালো ডিসি’তে আবেদন করে সেলাই মেশিন পেলেন দোহারের ১৪ অসহায় নারী

নিউজ ডেস্ক / ৩ Time View
Update : রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২৬

ঢাকা জেলা প্রশাসনের বিশেষায়িত সেবা প্ল্যাটফর্ম ‘হ্যালো ডিসি’-তে আবেদন করে সেলাই মেশিন পেয়েছেন দোহার উপজেলার ১৪ জন দুস্থ, অসহায় ও দরিদ্র নারী। আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করে তাদের স্বাবলম্বী করতে এ উদ্যোগ নিয়েছে জেলা প্রশাসন।

রোববার (২ আগস্ট) আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ঢাকা জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম নির্বাচিত উপকারভোগীদের হাতে সেলাই মেশিন তুলে দেন।

জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, ‘হ্যালো ডিসি’ প্ল্যাটফর্মে আবেদন পাওয়ার পর উপজেলা প্রশাসন আবেদনকারীদের আর্থসামাজিক অবস্থা যাচাই-বাছাই করে। পরে প্রকৃত দুস্থ, অসহায় ও দরিদ্র ১৪ জন নারীকে সেলাই মেশিন দেওয়ার জন্য নির্বাচন করা হয়।

সেলাই মেশিন বিতরণ অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম বলেন, সরকারের সামাজিক সুরক্ষা ও নারীর ক্ষমতায়নের উদ্যোগকে আরও কার্যকর করতে জেলা প্রশাসন নিরলসভাবে কাজ করছে। শুধু আর্থিক সহায়তা নয়, আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করে মানুষকে স্বাবলম্বী করে তোলাই প্রশাসনের লক্ষ্য।

তিনি বলেন, ‘হ্যালো ডিসি’ সেবার মাধ্যমে প্রকৃত অসহায় মানুষের কাছে দ্রুত ও সহজে সরকারি সহায়তা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে। এই উদ্যোগের ফলে অনেক পরিবার নতুন করে জীবিকা অর্জনের সুযোগ পাচ্ছে।

জেলা প্রশাসক আরও বলেন, বিতরণ করা সেলাই মেশিনগুলো কাজে লাগিয়ে উপকারভোগীরা নিজেদের পরিবারের আর্থিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখবেন এবং ধীরে ধীরে আত্মনির্ভরশীল হয়ে উঠবেন বলে তিনি আশা করেন।

জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, ভবিষ্যতেও ‘হ্যালো ডিসি’ প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে প্রকৃত অসহায় ও দরিদ্র মানুষের আবেদন গ্রহণ, যাচাই-বাছাই এবং প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।


More News Of This Category
bdit.com.bd