• সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৫৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
শেভরনের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনা জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘুষের অভিযোগের তদন্তের পরই বদলি শিক্ষা কর্মকর্তা, উঠছে প্রশ্ন আদানির গোড্ডা কেন্দ্রের ৮০০ মেগাওয়াট ইউনিট থেকে ফের বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ প্রেম-রোমান্সনির্ভর সিনেমা-নাটক বন্ধে হাইকোর্টে জনস্বার্থের রিট শেখ হাসিনার আমলে বিরোধীদের স্বাভাবিকভাবে বেঁচে থাকার অধিকার ছিল না: রিজভী আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশে আরও ৫ বিলিয়ন ডলারের মার্কিন বিনিয়োগ আনার লক্ষ্য ট্রাম্পের দাবি, ‘চাঁদ আমাদের’; মহাকাশ থেকে নিউ মেক্সিকো—নাম বদলের হিড়িক মেসির গোলেও জয় পেল না মিয়ামি, ন্যাশভিলের সঙ্গে ২-২ ড্র আমিশা প্যাটেলের মায়ের বাড়িতে ৫ লাখ রুপির গয়না চুরি, গৃহকর্মী গ্রেফতার

বক্স অফিস কাঁপাচ্ছে ‘মাইকেল’

নিজস্ব প্রতিবেদক / ১১০ Time View
Update : সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬

সংগীতাঙ্গনের কিংবদন্তি মাইকেল জ্যাকসন–কে ঘিরে নির্মিত জীবনীভিত্তিক সিনেমা মাইকেল মুক্তির পর থেকেই বক্স অফিসে দারুণ সাড়া ফেলেছে। সমালোচকদের মিশ্র প্রতিক্রিয়া থাকলেও দর্শকদের আগ্রহে সিনেমাটি প্রথম দিন থেকেই ঝড় তুলেছে।

গত শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) যুক্তরাষ্ট্রে মুক্তির প্রথম দিনেই ছবিটি প্রায় ৩৯ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলার আয় করে। সপ্তাহান্তে এই অঙ্ক বেড়ে দাঁড়ায় ৯৫ থেকে ১০০ মিলিয়ন ডলারের মধ্যে, যা সংগীতভিত্তিক জীবনীচিত্রের ক্ষেত্রে নতুন রেকর্ড গড়ার পথে। এর আগে বোহেমিয়ান র্যাপসোডিস্ট্রেইট আউটা কম্পটন যে মানদণ্ড তৈরি করেছিল, সেটিও ছাড়িয়ে গেছে এই সিনেমা।

শুধু যুক্তরাষ্ট্রেই নয়, আন্তর্জাতিক বাজারেও সিনেমাটি সমানভাবে সাফল্য পাচ্ছে। ৮০টির বেশি দেশে মুক্তি পেয়ে প্রথম সপ্তাহেই বিশ্বব্যাপী আয় ২০০ মিলিয়ন ডলার ছুঁয়েছে। মহামারির পর লায়নসগেট–এর জন্য এটি সবচেয়ে বড় সূচনা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ছবিটি পরিচালনা করেছেন অ্যান্টনি ফুকোয়া, যিনি এর আগে দ্য ইকুয়ালাইজার–এর মতো চলচ্চিত্রে সাফল্য পেয়েছেন। প্রযোজনায় ছিলেন গ্রাহাম কিং, যিনি আগেও সফল সংগীতভিত্তিক সিনেমা উপহার দিয়েছেন।

এ সিনেমায় মাইকেল জ্যাকসনের চরিত্রে অভিনয় করেছেন তার ভাতিজা জাফর জ্যাকসন। তার অভিনয় ইতোমধ্যে দর্শকদের প্রশংসা কুড়িয়েছে—বিশেষ করে নাচ, ভঙ্গি ও কণ্ঠে মাইকেলের ছোঁয়া তুলে ধরার দক্ষতা নজর কেড়েছে।

যদিও সমালোচকদের একাংশের মতে, সিনেমাটিতে শিল্পীর জীবনের বিতর্কিত কিছু অধ্যায় এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে, বিশেষ করে নব্বইয়ের দশকের অভিযোগগুলো খুব গভীরে দেখানো হয়নি। তবে দর্শকদের প্রতিক্রিয়া ছিল একেবারেই ভিন্ন। অনেকের কাছে এটি শুধু একটি সিনেমা নয়, বরং এক ধরনের অভিজ্ঞতা—যা দর্শককে ফিরিয়ে নিয়ে যায় বিলি জিন বা থ্রিলার–এর সময়ের স্মৃতিতে।

সিনেমাটি নির্মাণ ছিল বেশ চ্যালেঞ্জিং। মাঝপথে আইনি জটিলতা ও পুনরায় দৃশ্যধারণের কারণে বাজেট বেড়ে প্রায় ১৫৫ মিলিয়ন ডলারে পৌঁছায়। ১৯৯৩ সালের একটি অভিযোগ শুরুতে গল্পে থাকলেও পরে আইনি কারণে তা বাদ দিতে হয়। ফলে নির্মাতারা গল্পের ফোকাস সরিয়ে আনেন তার পারিবারিক সম্পর্কের দিকে, বিশেষ করে বাবা জো জ্যাকসন–এর সঙ্গে সম্পর্ককে কেন্দ্র করে, যা ছবির আবেগঘন দিককে আরও গভীর করেছে।

এই সাফল্যের পেছনে কয়েকটি বিষয় বড় ভূমিকা রেখেছে—মাইকেল জ্যাকসনের বিশ্বজোড়া জনপ্রিয়তা, দর্শকদের জন্য তৈরি ‘ফ্যানমুখী’ উপস্থাপন, এবং সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক প্রচারণা। সব মিলিয়ে বলা যায়, এই সিনেমা শুধু একজন শিল্পীর গল্প নয়, বরং একটি যুগকে নতুন করে জীবন্ত করে তুলেছে।


More News Of This Category
bdit.com.bd