• মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:১৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীকে যথাযথ মর্যাদায় আমন্ত্রণ জানানো হয়নি: স্পিকার ডিএজি নজরুল ইসলাম ছোটনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা চেয়ে অ্যাটর্নি জেনারেলের কাছে রুমিন ফারহানার আবেদন নিজ কার্যালয় থেকেই চিকিৎসক-নার্সদের হাজিরা মনিটর করবেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী শেভরনের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনা জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘুষের অভিযোগের তদন্তের পরই বদলি শিক্ষা কর্মকর্তা, উঠছে প্রশ্ন আদানির গোড্ডা কেন্দ্রের ৮০০ মেগাওয়াট ইউনিট থেকে ফের বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ প্রেম-রোমান্সনির্ভর সিনেমা-নাটক বন্ধে হাইকোর্টে জনস্বার্থের রিট শেখ হাসিনার আমলে বিরোধীদের স্বাভাবিকভাবে বেঁচে থাকার অধিকার ছিল না: রিজভী আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশে আরও ৫ বিলিয়ন ডলারের মার্কিন বিনিয়োগ আনার লক্ষ্য

প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথের পর এলাকায় উচ্ছ্বাস, পারিবারিক ও রাজনৈতিক ঐতিহ্যে ইশরাক হোসেন

মোঃ সাইফুল ইসলাম / ২৪৫ Time View
Update : বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর তার নির্বাচনি এলাকায় আনন্দ-উল্লাস শুরু হয়েছে। প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েই মন্ত্রিসভায় স্থান পাওয়ায় সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ দেখা গেছে।

ব্যক্তিগত জীবন

২০২৫ সালের ১১ অক্টোবর পারিবারিকভাবে বাগদান সম্পন্ন হয়েছে ইশরাক হোসেনের। তার জীবনসঙ্গী ব্যারিস্টার নুসরাত খান। তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান–এর মন্ত্রিসভার সদস্য এবং টাঙ্গাইল জেলার সাবেক সংসদ সদস্য নুর মোহাম্মদ খান–এর বড় মেয়ে। নুসরাত খান টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার ধুবরিয়া গ্রামের বাসিন্দা।

রাজনৈতিক অবস্থান ও পারিবারিক ঐতিহ্য

ইশরাক হোসেনের রাজনৈতিক পরিচয়ের কেন্দ্রে রয়েছেন তার বাবা, সাবেক মন্ত্রী ও অবিভক্ত ঢাকার মেয়র সাদেক হোসেন খোকা। ছোটবেলা থেকেই বাবার হাত ধরে রাজনীতিতে তার হাতেখড়ি। ২০২০ সালের ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে তিনি বিএনপির মেয়র পদপ্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এছাড়া তিনি জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম দলের আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। উচ্চশিক্ষার জন্য লন্ডনে অবস্থানকালে যুক্তরাজ্য শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তার বাবা সাদেক হোসেন খোকা ২০০১ সালের নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে খালেদা জিয়া সরকারের মৎস্য মন্ত্রী ছিলেন। এর আগে ১৯৯১ সালের নির্বাচনে তিনি শেখ হাসিনা–কে পরাজিত করে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। ২০০২ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত তিনি ঢাকা সিটি করপোরেশনের মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। মুক্তিযুদ্ধ-পরবর্তী ছাত্ররাজনীতি, সামরিক শাসনবিরোধী আন্দোলন ও বিএনপির সাংগঠনিক বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন সাদেক হোসেন খোকা। ২০১৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু বিএনপির জন্য বড় ক্ষতি হিসেবে বিবেচিত হয়। এই রাজনৈতিক পরিবেশেই বেড়ে ওঠেন ইশরাক হোসেন। বাবার মৃত্যুর পর তিনি বিএনপির নগর রাজনীতিতে আরও সক্রিয় হয়ে ওঠেন, বিশেষ করে পুরান ঢাকায় তার সাংগঠনিক তৎপরতা তাকে তরুণ নেতৃত্ব হিসেবে পরিচিতি দেয়।

প্রতিক্রিয়া

ইশরাক হোসেন বলেন, রাজনীতির প্রেরণা তার বাবা, যিনি তার রোল মডেল। জনগণের পাশে থেকে দেশের কল্যাণে কাজ করাই তার লক্ষ্য। প্রথমবার সংসদ সদস্য হয়েই মন্ত্রিসভায় দায়িত্ব পাওয়া তার জন্য বড় সম্মানের। বিশেষ করে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ দফতরে কাজ করার সুযোগ পাওয়ায় তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মর্যাদা রক্ষা এবং নতুন প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস তুলে ধরাকে তিনি অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা জানান। তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে সিটি করপোরেশনের দায়িত্ব পেলে তার বাবার মতো উন্নয়নমূলক কাজ করবেন। তার দাবি অনুযায়ী, সাদেক হোসেন খোকা মেয়র হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার সময় সিটি করপোরেশনের দেনা ছিল ৬৩১ কোটি টাকা, আর পদত্যাগের সময় উন্নয়ন ব্যয় মিটিয়ে তহবিলে উদ্বৃত্ত অর্থ ছিল।


More News Of This Category
bdit.com.bd