• বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১২:২৭ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
অ্যাপভিত্তিক সিএনজি সেবা বন্ধের উদ্যোগে উদ্বেগ, নিরাপত্তা ও কর্মসংস্থানে নেতিবাচক প্রভাবের আশঙ্কা টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক: ২৬ পণ্যে ‘ক্ষতিকর’ উপাদান, তদন্ত চেয়ে হাইকোর্টে রিট ১০ আগস্ট প্রকাশ হচ্ছে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল পার্বতীপুর ও ফুলবাড়ী উপজেলা বিএনপির কমিটি বিলুপ্ত সার্ককে পুনরুজ্জীবিত করতে একমত বাংলাদেশ ও মালদ্বীপ কৃষিভিত্তিক উদ্যোক্তা হতে নবীন শিক্ষার্থীদের প্রতি মন্ত্রীর আহ্বান গুলশানের বাসায় ফিরছেন সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন, চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্কনীতিতে সর্বনিম্ন ১০% শুল্ক পেল বাংলাদেশ, রপ্তানিতে বাড়ছে প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা এআইকে সঠিকভাবে কাজে লাগানোই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ: তথ্যমন্ত্রী হরমুজ প্রণালি সংকটে বাংলাদেশে তীব্র সার সংকটের আশঙ্কা, সতর্ক করল ডব্লিউএফপি

৪৫ বছর পর গ্রেপ্তার জিয়াউর রহমান হত্যা মামলার পলাতক মেজর মোজাফফর

নিউজ ডেস্ক / ৩১ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যা মামলার অন্যতম অভিযুক্ত এবং দীর্ঘ ৪৫ বছর ধরে পলাতক থাকা অবসরপ্রাপ্ত মেজর মোজাফফর হোসেনকে আটক করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। বুধবার দিবাগত মধ্যরাতে রাজধানীর বনানী ডিওএইচএস এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। পরে তাকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

১৯৮১ সালের ৩০ মে ভোরে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে একদল বিদ্রোহী সেনা কর্মকর্তার হামলায় তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নিহত হন। তদন্তসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন তথ্য অনুযায়ী, ওই হত্যাকাণ্ডে সরাসরি অংশগ্রহণকারী সেনা কর্মকর্তাদের মধ্যে মেজর মোজাফফর হোসেন ও ক্যাপ্টেন মোসলেহ উদ্দিন অন্যতম ছিলেন। অভিযোগ রয়েছে, মেজর মোজাফফর হোসেনই প্রথম জিয়াউর রহমানকে শনাক্ত করে গুলি চালান এবং হত্যাকাণ্ড নিশ্চিত হওয়ার পর তৎকালীন ২৪ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল আবুল মঞ্জুরকে টেলিফোনে ‘The President has been killed’ বলে জানান।

হত্যাকাণ্ডের পর সেনাবাহিনীর অভিযানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলে মেজর জেনারেল আবুল মঞ্জুরসহ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে মঞ্জুর নিহত হন। ক্যাপ্টেন মোসলেহ উদ্দিন গ্রেপ্তার হয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হলেও মেজর মোজাফফর হোসেন ও মেজর এস এম খালেদ পালিয়ে যেতে সক্ষম হন।

তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, দীর্ঘ সময় মেজর মোজাফফর হোসেন ভারতে আত্মগোপনে ছিলেন। ১৯৯৭-৯৮ সাল পর্যন্ত সেখানে অবস্থানের পর তিনি ছদ্মনাম ব্যবহার করে সীমান্ত পেরিয়ে বিভিন্ন স্থানে গোপনে চলাচল করতেন।

অবশেষে প্রায় ৪৫ বছর পর গোয়েন্দা পুলিশের অভিযানে তাকে আটক করা সম্ভব হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, তার গ্রেপ্তারের মাধ্যমে দেশের অন্যতম আলোচিত রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডের বিচারপ্রক্রিয়ায় নতুন অগ্রগতি সৃষ্টি হয়েছে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।


More News Of This Category
bdit.com.bd