• বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১২:২৭ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
অ্যাপভিত্তিক সিএনজি সেবা বন্ধের উদ্যোগে উদ্বেগ, নিরাপত্তা ও কর্মসংস্থানে নেতিবাচক প্রভাবের আশঙ্কা টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক: ২৬ পণ্যে ‘ক্ষতিকর’ উপাদান, তদন্ত চেয়ে হাইকোর্টে রিট ১০ আগস্ট প্রকাশ হচ্ছে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল পার্বতীপুর ও ফুলবাড়ী উপজেলা বিএনপির কমিটি বিলুপ্ত সার্ককে পুনরুজ্জীবিত করতে একমত বাংলাদেশ ও মালদ্বীপ কৃষিভিত্তিক উদ্যোক্তা হতে নবীন শিক্ষার্থীদের প্রতি মন্ত্রীর আহ্বান গুলশানের বাসায় ফিরছেন সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন, চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্কনীতিতে সর্বনিম্ন ১০% শুল্ক পেল বাংলাদেশ, রপ্তানিতে বাড়ছে প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা এআইকে সঠিকভাবে কাজে লাগানোই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ: তথ্যমন্ত্রী হরমুজ প্রণালি সংকটে বাংলাদেশে তীব্র সার সংকটের আশঙ্কা, সতর্ক করল ডব্লিউএফপি

সারাদেশে শুরু হচ্ছে কৃষক কার্ডের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম, ১৮ জুলাই থেকে মাঠে নামছে ডিএই

নিউজ ডেস্ক / ১৪ Time View
Update : শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

সরকারের নির্বাচনি ইশতেহারে ঘোষিত ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সারাদেশে কৃষক ও কৃষিজমির তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু করছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই)। শনিবার (১৮ জুলাই) থেকে দেশের সব উপজেলায় একযোগে এ কার্যক্রম শুরু হবে।

সম্প্রতি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আব্দুর রহিম স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এতে বলা হয়, কৃষিমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ‘কৃষক কার্ড কারিগরি ওয়ার্কিং কমিটির’ দ্বিতীয় সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রথম ধাপে প্রতিটি উপজেলার একটি করে ব্লকে কৃষক ও কৃষিজমির তথ্য সংগ্রহ করা হবে। পরীক্ষামূলক এ কার্যক্রমের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে পর্যায়ক্রমে উপজেলার সব ব্লকে তথ্য সংগ্রহ সম্প্রসারণ করা হবে।

তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম নির্বিঘ্ন করতে ১৪ থেকে ১৮ জুলাই পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ‘তথ্য সংগ্রহ অ্যাপ’ ব্যবহারের ওপর প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। প্রশিক্ষণ শেষে ১৮ জুলাই থেকে মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ শুরু হবে।

অফিস আদেশে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সকল পরিচালক, অতিরিক্ত পরিচালক, উপপরিচালক ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণ এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কার্যক্রম সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, এ কার্যক্রমের মাধ্যমে কৃষকদের একটি নির্ভুল ও সমন্বিত তথ্যভাণ্ডার তৈরি হবে, যা ‘কৃষক কার্ড’ বাস্তবায়ন সহজ করবে। পাশাপাশি প্রকৃত কৃষকদের শনাক্তকরণ, কৃষি প্রণোদনা, ভর্তুকি, ঋণ সুবিধা ও অন্যান্য সরকারি সেবা আরও দ্রুত, স্বচ্ছ ও কার্যকরভাবে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে।


More News Of This Category
bdit.com.bd