• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২৮ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
যুক্তরাষ্ট্রের ভিজিটর ভিসা নিয়ে বাংলাদেশিদের সতর্ক করল মার্কিন দূতাবাস ঢাকার মেট্রোরেল লাইন-১-এর বড় দুই প্যাকেজ পেল ভারতের এলঅ্যান্ডটি, ব্যয় ৫ হাজার কোটি রুপির বেশি দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে গ্রিড বিপর্যয়: কারণ অনুসন্ধানে বিদ্যুৎ বিভাগের ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি জাপানে নিটসু লজিস্টিকস হাব পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঢাকা-চট্টগ্রামে গ্রিড বিপর্যয়, অধিকাংশ এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের তারিখ পরিবর্তন, নতুন সময়সূচি ৩১ অক্টোবর নতুন পে স্কেলে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন নিয়ে সিদ্ধান্ত অর্থ মন্ত্রণালয়ের হাতে দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শন ও জনসভায় যোগ দিতে রাজশাহীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ৯ মাসে ৫১৮ সাংবাদিক নির্যাতনের শিকার, মব সহিংসতায় নিহত ১৮৭: এইচআরএসএস জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ উদ্বোধনে যাননি কেন, প্রধানমন্ত্রীর ক্ষোভের জবাব দিলেন গোলাম পরওয়ার

রাজনৈতিক অনিশ্চয়তায় ধাক্কা জিডিপি প্রবৃদ্ধিতে, সতর্কবার্তা এডিবির

নিজস্ব প্রতিবেদক / ১২৭ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬

রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে দুর্বল করে দিয়েছে বলে জানিয়েছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক। একই সঙ্গে দেশের অভ্যন্তরীণ পণ্য ও সেবার চাহিদাও কমেছে। কঠোর রাজস্ব ও মুদ্রানীতির প্রভাবেও অর্থনীতিতে চাপ তৈরি হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) প্রকাশিত সংস্থাটির বার্ষিক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে। এতে বলা হয়, বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নেপালের মতো অনিশ্চয়তার মধ্য দিয়ে গেছে, যার প্রভাব পড়েছে অর্থনীতির ওপর।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, চলতি অর্থবছরে দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের প্রবৃদ্ধি প্রায় ৪ শতাংশ হতে পারে। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের কারণে এই প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস কমানো হয়েছে।

তবে জাতীয় নির্বাচন শেষ হওয়ার পর রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা কিছুটা কমেছে বলে মনে করছে সংস্থাটি। এর ফলে অর্থনৈতিক কার্যক্রমে গতি ফিরতে পারে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।

মোট দেশজ উৎপাদনের প্রবৃদ্ধি একটি দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতির গুরুত্বপূর্ণ সূচক। এটি নির্দিষ্ট সময়ে দেশের মোট উৎপাদন কতটা বেড়েছে তা নির্দেশ করে। প্রবৃদ্ধি বাড়লে সাধারণত মানুষের আয় বৃদ্ধি পায়, তবে এর সুফল সব শ্রেণির মানুষের কাছে সমানভাবে পৌঁছায় না।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সালে বাংলাদেশকে মোট ৫২১ কোটি ডলারের সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে সংস্থাটি। এর মধ্যে ঋণ ও অনুদান হিসেবে রয়েছে ২৫৭ কোটি ডলার, আর বাকি অংশ বিভিন্ন সহ-অর্থায়নের মাধ্যমে আসবে।

ব্যাংক খাত নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে প্রতিবেদনে। দীর্ঘদিনের দুর্বল শাসনব্যবস্থা, তদারকির অভাব এবং মূলধনের ঘাটতির কারণে ব্যাংক খাত কার্যকরভাবে সেবা দিতে পারছে না। ফলে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের ঋণপ্রাপ্তি সীমিত হচ্ছে এবং আর্থিক অন্তর্ভুক্তিও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

এই প্রেক্ষাপটে ব্যাংক খাত শক্তিশালী করতে ৫০ কোটি ডলার সহায়তা দেওয়া হয়েছে, যা তদারকি উন্নয়ন, সম্পদের মান বৃদ্ধি এবং তারল্য ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়নে ব্যয় করা হবে। এর মাধ্যমে ডিজিটাল সেবা বৃদ্ধি, সাশ্রয়ী ঋণের সুযোগ সম্প্রসারণ এবং বেসরকারি খাতের প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

এছাড়া পরিবহন খাত উন্নয়ন এবং বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে বিভিন্ন কর্মসূচিতে অর্থায়ন অব্যাহত রেখেছে সংস্থাটি।


More News Of This Category
bdit.com.bd