• বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৪১ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ১৬৮ বাংলাদেশি এসএসসির খাতা মূল্যায়নে গাফিলতি করা পরীক্ষকদের শাস্তি হবে: শিক্ষামন্ত্রী গুজরাট থেকে বাংলাদেশে আসছে ইলিশ, এবার উল্টো রপ্তানির অনুমতি চাইছে ভারত ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীকে যথাযথ মর্যাদায় আমন্ত্রণ জানানো হয়নি: স্পিকার ডিএজি নজরুল ইসলাম ছোটনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা চেয়ে অ্যাটর্নি জেনারেলের কাছে রুমিন ফারহানার আবেদন নিজ কার্যালয় থেকেই চিকিৎসক-নার্সদের হাজিরা মনিটর করবেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী শেভরনের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনা জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘুষের অভিযোগের তদন্তের পরই বদলি শিক্ষা কর্মকর্তা, উঠছে প্রশ্ন আদানির গোড্ডা কেন্দ্রের ৮০০ মেগাওয়াট ইউনিট থেকে ফের বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ

সালমান শাহ হত্যা মামলা: তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নতুন তারিখ ১৪ মে

Reporter Name / ১২৭ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬

প্রখ্যাত চিত্রনায়ক সালমান শাহকে পূর্বপরিকল্পিতভাবে হত্যার অভিযোগে তার স্ত্রী সামীরা হকসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ১৪ মে দিন ধার্য করেছেন ঢাকার একটি আদালত।

বৃহস্পতিবার ঢাকার মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানার আদালতে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন নির্ধারিত ছিল। তবে তদন্তকারী কর্মকর্তা নির্ধারিত দিনে প্রতিবেদন দাখিল না করায় আদালত নতুন করে ১৪ মে তারিখ ধার্য করেন।

এর আগে গত বছরের ২১ অক্টোবর রাজধানীর রমনা থানায় মামলাটি দায়ের করেন সালমান শাহের মামা মোহাম্মদ আলমগীর। মামলায় দণ্ড বিধির ৩০২ ও ৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

মামলার আসামিরা হলেন—সালমান শাহের স্ত্রী সামীরা হক, শিল্পপতি ও সাবেক চলচ্চিত্র প্রযোজক আজিজ মোহাম্মদ ভাই, লতিফা হক লুছি, খলনায়ক ডন, ডেবিট, জাভেদ, ফারুক, মে ফেয়ার বিউটি সেন্টারের রুবি, আব্দুস ছাত্তার, সাজু ও রেজভি আহমেদ ফরহাদ। এছাড়া মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে।

১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর সালমান শাহের মৃত্যুর পর রমনা থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়। তবে গত ২০ অক্টোবর ঢাকার ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. জান্নাতুল ফেরদৌস ইবনে হক বাদীপক্ষের করা পুনর্বিবেচনার আবেদন মঞ্জুর করে ঘটনাটিকে হত্যা মামলা হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দেন। এর পরদিনই সালমান শাহের মামা মোহাম্মদ আলমগীর রমনা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর সালমান শাহের বাসায় গিয়ে তার পরিবারের সদস্যরা প্রথমে জানতে পারেন তিনি ঘুমাচ্ছেন। কিছু সময় পর একটি ফোন পেয়ে তারা দ্রুত বাসায় ফিরে দেখেন সালমান শাহ শয়নকক্ষে নিথর অবস্থায় পড়ে আছেন এবং কয়েকজন নারী তার হাত-পায়ে তেল মালিশ করছেন। পাশের কক্ষে তার স্ত্রীর এক আত্মীয় অবস্থান করছিলেন।

পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করেন। পথে তার গলায় দড়ির দাগ এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলচে দাগ দেখতে পান। প্রথমে তাকে হলি ফ্যামিলি হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক জানান, তিনি আগেই মারা গেছেন।

মামলার এজাহারে আরও বলা হয়েছে, সালমান শাহের পিতা কমর উদ্দীন আহমদ চৌধুরী ১৯৯৭ সালের ২৪ জুলাই আদালতে আবেদন করে তার ছেলের মৃত্যুকে হত্যা হিসেবে তদন্ত করার দাবি জানিয়েছিলেন। তার মৃত্যুর পর সালমান শাহের মামা মোহাম্মদ আলমগীর পরিবারের পক্ষ থেকে মামলাটি পরিচালনা করছেন।

এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, আসামিরা পরস্পরের যোগসাজশে পূর্বপরিকল্পিতভাবে সালমান শাহকে হত্যা করেছেন। তবে মামলার অভিযুক্তদের মধ্যে কেউ মারা গিয়ে থাকলে প্রমাণের ভিত্তিতে তারা মামলার দায় থেকে অব্যাহতি পেতে পারেন।


More News Of This Category
bdit.com.bd