• মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৫৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীকে যথাযথ মর্যাদায় আমন্ত্রণ জানানো হয়নি: স্পিকার ডিএজি নজরুল ইসলাম ছোটনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা চেয়ে অ্যাটর্নি জেনারেলের কাছে রুমিন ফারহানার আবেদন নিজ কার্যালয় থেকেই চিকিৎসক-নার্সদের হাজিরা মনিটর করবেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী শেভরনের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনা জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘুষের অভিযোগের তদন্তের পরই বদলি শিক্ষা কর্মকর্তা, উঠছে প্রশ্ন আদানির গোড্ডা কেন্দ্রের ৮০০ মেগাওয়াট ইউনিট থেকে ফের বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ প্রেম-রোমান্সনির্ভর সিনেমা-নাটক বন্ধে হাইকোর্টে জনস্বার্থের রিট শেখ হাসিনার আমলে বিরোধীদের স্বাভাবিকভাবে বেঁচে থাকার অধিকার ছিল না: রিজভী আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশে আরও ৫ বিলিয়ন ডলারের মার্কিন বিনিয়োগ আনার লক্ষ্য

তেল সংকটে শ্রীলংকায় চার দিনের কর্মসপ্তাহ চালু

Reporter Name / ৩৬৮ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ, ২০২৬

বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে জরুরি পদক্ষেপ হিসেবে চার দিনের কর্মসপ্তাহ চালু করেছে শ্রীলংকা সরকার। এর ফলে সরকারি অনেক প্রতিষ্ঠানে কার্যত সপ্তাহে চার দিন কাজ করার ব্যবস্থা চালু হচ্ছে। বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১৮ মার্চ থেকে বুধবারকে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। আগে থেকেই দেশটিতে শনি ও রোববার সাপ্তাহিক ছুটি ছিল। নতুন সিদ্ধান্তের ফলে এখন তিন দিন ছুটি কার্যকর হচ্ছে। প্রেসিডেন্ট অনুরা কুমার ডিসানায়েকে সোমবার সিনিয়র কর্মকর্তাদের সঙ্গে জরুরি বৈঠকে বলেন, সম্ভাব্য সংকট মোকাবিলায় সরকার প্রস্তুত থাকতে চায়, তবে একই সঙ্গে ভালো পরিস্থিতির প্রত্যাশাও করছে। নতুন এই চার দিনের কর্মসপ্তাহ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও প্রযোজ্য হবে। এর আওতায় স্কুল ও বিশ্ববিদ্যালয় অন্তর্ভুক্ত থাকবে। তবে স্বাস্থ্যসেবা, বন্দর ও অন্যান্য জরুরি সেবা স্বাভাবিকভাবেই চালু থাকবে বলে জানানো হয়েছে। সরকার বুধবারকে অতিরিক্ত ছুটির দিন হিসেবে বেছে নিয়েছে যাতে সরকারি অফিস টানা তিন দিন বন্ধ না থাকে। পাশাপাশি চালক ও গাড়ির মালিকদের জন্য জাতীয় জ্বালানি পাস ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। এর মাধ্যমে নিবন্ধনের ভিত্তিতে নির্দিষ্ট পরিমাণ জ্বালানি কেনার সুযোগ দেওয়া হবে। সরকার সব প্রতিষ্ঠানকে সম্ভব হলে দূরবর্তীভাবে কাজের ব্যবস্থা চালুর আহ্বান জানিয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ সেবা বিভাগের কমিশনার জেনারেল প্রভাত চন্দ্রকীর্তি জানিয়েছেন, বেসরকারি খাতকেও বুধবারকে ছুটির দিন হিসেবে বিবেচনার আহ্বান জানানো হয়েছে। কলম্বোর কর্তৃপক্ষ আশা করছে, ২০২২ সালের মতো তেলের সংকট, বিদ্যুৎ বিভ্রাট এবং জনজীবনে অস্থিরতা যেন পুনরায় সৃষ্টি না হয়। এদিকে হরমুজ প্রণালীর মতো গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহন পথে চলমান ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে বিশ্বজুড়ে সরবরাহ ব্যবস্থায় চাপ তৈরি হয়েছে। এতে তেলের দাম বেড়েছে এবং আমদানি নির্ভর দেশগুলোতে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। এশিয়ার অন্যান্য দেশের পদক্ষেপ তেল ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় এশিয়ার আরও কয়েকটি দেশ বিভিন্ন ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে। থাইল্যান্ডে অফিসে হালকা পোশাক পরার আহ্বান জানানো হয়েছে, যাতে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রের ব্যবহার কমে। মিয়ানমারে গাড়ি চালনার ক্ষেত্রে বিকল্প দিনের ভিত্তিতে সীমাবদ্ধতা চালু করা হয়েছে। বাংলাদেশে আগেভাগে ছুটি ঘোষণা এবং পরিকল্পিত বিদ্যুৎ বিভ্রাটের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ফিলিপাইনে দূরশিক্ষণ ও নমনীয় কর্মব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। পাশাপাশি সরকারি অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে এবং জ্বালানি মূল্য বৃদ্ধির প্রভাব কমাতে দুর্বল জনগোষ্ঠীকে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। ভিয়েতনামে সাইকেল ব্যবহার, গণপরিবহন গ্রহণ এবং ব্যক্তিগত যানবাহনের ব্যবহার কমাতে মানুষকে উৎসাহ দেওয়া হচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, শ্রীলংকার এই উদ্যোগ এবং এশিয়ার অন্যান্য দেশের পদক্ষেপ ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় ভবিষ্যতে আরও কঠোর নীতি গ্রহণের প্রয়োজন হতে পারে।


More News Of This Category
bdit.com.bd