স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকা দুটি পৃথক বিভাগ একীভূত করার সিদ্ধান্ত অনুমোদন দিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) প্রশাসনিক পুনর্গঠনসংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি (নিকার)–এর সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়।
এই সিদ্ধান্তের ফলে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ এবং স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ একত্র করে নতুন করে ‘স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়’ গঠন করা হবে।
সভা শেষে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে বিভক্ত করার মূল উদ্দেশ্য ছিল সেবার মান উন্নত করা এবং প্রশাসনিক কার্যক্রম সহজ করা। তবে বাস্তব অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ এবং স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের অধীনে থাকা মেডিকেল কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, নার্সিং ইনস্টিটিউট এবং মাতৃ ও শিশু স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রম পরিচালনায় প্রত্যাশিত সুফল পাওয়া যায়নি।
প্রেস সচিব জানান, বরং এই দ্বৈত কাঠামোর কারণে স্বাস্থ্যসেবা ও স্বাস্থ্য শিক্ষার মান উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। মন্ত্রণালয়ের কাজের গতি ও সমন্বয় পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে রুলস অব বিজনেস অনুযায়ী দুটি বিভাগ একীভূত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এছাড়াও নিকার সভায় মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তন করে ‘নারী ও শিশু মন্ত্রণালয়’ রাখার প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে। তবে মন্ত্রণালয়ের ইংরেজি নাম অপরিবর্তিত থাকবে বলে জানানো হয়।