• বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬, ০৩:৫৮ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
রামিসা হত্যার ঘটনায় নতুন মোড়, বিস্ফোরক তথ্য প্রকাশ পুলিশের ভিসা জালিয়াতি রোধে কঠোর চীনা দূতাবাস, নতুন নিয়ম ৫ জুলাই থেকে অন্তর্বর্তী সরকারের ব্যর্থতায় আওয়ামী লীগ ফের প্রাসঙ্গিক হচ্ছে: মাহফুজ আলম বিদ্যুতের দাম ২১ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব, গণশুনানিতে তীব্র বিরোধিতা লেখালেখিতে এআই ব্যবহার স্বীকার করলেন নোবেলজয়ী লেখক ওলগা তোকরচুক পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশে টাইগারদের অভিনন্দন জানালেন ডা. শফিকুর রহমান হাসপাতালে ভর্তি নন অমিতাভ, গুজব উড়িয়ে নিজেই দিলেন বার্তা ১ জুলাই থেকে নতুন পে স্কেল, বাড়ছে বেতন-ভাতা পাচ্ছেন লাখো সরকারি চাকরিজীবী শিক্ষা কারিকুলামে বড় পরিবর্তনের ঘোষণা, বইয়ের বাইরে নেতৃত্ব ও নৈতিকতায় জোর আপিল বিভাগে সাংবাদিক প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা, প্রধান বিচারপতির কাছে ফের আবেদন

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দুই বিভাগ একীভূত করার অনুমোদন, গঠিত হচ্ছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়

মোঃ সাইফুল ইসলাম / ১৬১ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২৬

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকা দুটি পৃথক বিভাগ একীভূত করার সিদ্ধান্ত অনুমোদন দিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) প্রশাসনিক পুনর্গঠনসংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি (নিকার)–এর সভায় এ অনুমোদন দেওয়া হয়। এই সিদ্ধান্তের ফলে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ এবং স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ একত্র করে নতুন করে ‘স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়’ গঠন করা হবে। সভা শেষে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে বিভক্ত করার মূল উদ্দেশ্য ছিল সেবার মান উন্নত করা এবং প্রশাসনিক কার্যক্রম সহজ করা। তবে বাস্তব অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ এবং স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের অধীনে থাকা মেডিকেল কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, নার্সিং ইনস্টিটিউট এবং মাতৃ ও শিশু স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রম পরিচালনায় প্রত্যাশিত সুফল পাওয়া যায়নি। প্রেস সচিব জানান, বরং এই দ্বৈত কাঠামোর কারণে স্বাস্থ্যসেবা ও স্বাস্থ্য শিক্ষার মান উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। মন্ত্রণালয়ের কাজের গতি ও সমন্বয় পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে রুলস অব বিজনেস অনুযায়ী দুটি বিভাগ একীভূত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এছাড়াও নিকার সভায় মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তন করে ‘নারী ও শিশু মন্ত্রণালয়’ রাখার প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে। তবে মন্ত্রণালয়ের ইংরেজি নাম অপরিবর্তিত থাকবে বলে জানানো হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd