• মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:০৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীকে যথাযথ মর্যাদায় আমন্ত্রণ জানানো হয়নি: স্পিকার ডিএজি নজরুল ইসলাম ছোটনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা চেয়ে অ্যাটর্নি জেনারেলের কাছে রুমিন ফারহানার আবেদন নিজ কার্যালয় থেকেই চিকিৎসক-নার্সদের হাজিরা মনিটর করবেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী শেভরনের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনা জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘুষের অভিযোগের তদন্তের পরই বদলি শিক্ষা কর্মকর্তা, উঠছে প্রশ্ন আদানির গোড্ডা কেন্দ্রের ৮০০ মেগাওয়াট ইউনিট থেকে ফের বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ প্রেম-রোমান্সনির্ভর সিনেমা-নাটক বন্ধে হাইকোর্টে জনস্বার্থের রিট শেখ হাসিনার আমলে বিরোধীদের স্বাভাবিকভাবে বেঁচে থাকার অধিকার ছিল না: রিজভী আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশে আরও ৫ বিলিয়ন ডলারের মার্কিন বিনিয়োগ আনার লক্ষ্য

এশিয়ার চার দেশে ঘূর্ণিঝড়–বন্যায় ৯ শতাধিক প্রাণহানি, লাখো মানুষ গৃহহীন

Reporter Name / ৩১৭ Time View
Update : সোমবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২৫

ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড়, ভারী বর্ষণ, বন্যা এবং ভূমিধসের আঘাতে এশিয়ার চার দেশ—ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া ও শ্রীলঙ্কায় এখন পর্যন্ত ৯ শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে এবং নিখোঁজ রয়েছেন আরও অনেকে। আহত হয়েছেন অসংখ্য মানুষ এবং হাজার হাজার মানুষকে ঘরবাড়ি ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে। মার্কিন গণমাধ্যম সিএনএন জানায়, গত এক সপ্তাহ থেকে ১০ দিনের মধ্যে ইন্দোনেশিয়ায় মারা গেছেন কমপক্ষে ৪৩৫ জন, শ্রীলঙ্কায় ৩৩৪ জন, থাইল্যান্ডে ১৬২ জন এবং মালয়েশিয়ায় ২ জন। আন্দামান সাগর, মালাক্কা প্রণালী ও বঙ্গোপসাগরের নিম্নচাপ থেকে সৃষ্টি ঘূর্ণিঝড় সেনিয়ারের আঘাতে ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দ্বীপজুড়ে সড়ক–যোগাযোগ ও টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা প্রায় ধ্বংস হয়ে গেছে, বহু এলাকা প্লাবিত এবং বিভিন্ন স্থানে ভূমিধসের ঘটনা ঘটেছে। এখন পর্যন্ত ৪৩৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং নিখোঁজ রয়েছে অন্তত ৪০৬ জন। সেনাবাহিনী হেলিকপ্টারে ত্রাণ পৌঁছে দিচ্ছে, আর বন্যাকবলিত এলাকায় রাবারের নৌকা দিয়ে মানুষজনকে উদ্ধার করা হচ্ছে। ত্রাণ বিলম্বে পৌঁছানো কিছু এলাকায় খাদ্য লুটের ঘটনাও ঘটেছে। থাইল্যান্ডের দক্ষিণাঞ্চলেও ঘূর্ণিঝড় সেনিয়ার তাণ্ডব দেখা দিয়েছে, যেখানে এখন পর্যন্ত ১৬২ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন কমপক্ষে ৩৫ লাখ মানুষ। অনেক এলাকা বিদ্যুৎ, মোবাইল নেটওয়ার্ক ও সড়ক–যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়লেও স্থানীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগ জানিয়েছে যে পানি নামা শুরু হয়েছে এবং পুনরায় যোগাযোগ ব্যবস্থা সচল করার চেষ্টা চলছে। শ্রীলঙ্কায় ভারত মহাসাগরের নিম্নচাপ থেকে তৈরি ঘূর্ণিঝড় ‘দিতওয়াহ’-এর জেরে মারা গেছেন কমপক্ষে ৩৩৪ জন এবং ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন প্রায় ১১ লাখ মানুষ। দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে ২৫ হাজারের বেশি বাড়িঘর ধ্বংস হয়েছে এবং ১ লাখ ৪৭ হাজার মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করছেন। ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির কারণে শ্রীলঙ্কাজুড়ে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে। মালয়েশিয়ায় গত শুক্রবার উপকূলে আছড়ে পড়ে ঘূর্ণিঝড় সেনিয়ার, যেখানে এখন পর্যন্ত ২ জন নিহত এবং উপকূলবর্তী অঞ্চলের প্রায় ৩৪ হাজার মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছেন। চার দেশে একসঙ্গে দুর্যোগ পরিস্থিতি এবং ব্যাপক প্রাণহানি এশিয়াজুড়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।


More News Of This Category
bdit.com.bd