• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৩৩ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
জাপানে নিটসু লজিস্টিকস হাব পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঢাকা-চট্টগ্রামে গ্রিড বিপর্যয়, অধিকাংশ এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের তারিখ পরিবর্তন, নতুন সময়সূচি ৩১ অক্টোবর নতুন পে স্কেলে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন নিয়ে সিদ্ধান্ত অর্থ মন্ত্রণালয়ের হাতে দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শন ও জনসভায় যোগ দিতে রাজশাহীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ৯ মাসে ৫১৮ সাংবাদিক নির্যাতনের শিকার, মব সহিংসতায় নিহত ১৮৭: এইচআরএসএস জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ উদ্বোধনে যাননি কেন, প্রধানমন্ত্রীর ক্ষোভের জবাব দিলেন গোলাম পরওয়ার তেলের দাম ও মূল্যস্ফীতির চাপে কমল স্বর্ণের দর, নজর ফেডের সুদের হার সিদ্ধান্তে লিবিয়ায় নিরাপত্তা বাহিনীর প্রশিক্ষণকেন্দ্রে গোলাবারুদ বিস্ফোরণ, নিহত ৮ ইনফান্তিনোর নেতৃত্ব নিয়ে উয়েফার ৪২ প্রশ্ন, ২ নভেম্বরের মধ্যে জবাব চায় ফিফার ইউরোপীয় সংস্থা

জাতীয় নির্বাচন অবাধ-সুষ্ঠু হবে বলে আশা জার্মান রাষ্ট্রদূতের

মোঃ সাইফুল ইসলাম / ৩৯২ Time View
Update : বুধবার, ২৬ নভেম্বর, ২০২৫

ঢাকায় নিযুক্ত জার্মান রাষ্ট্রদূত ড. রুডিগার লটজ আশা প্রকাশ করেছেন যে বাংলাদেশে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, বিশ্বাসযোগ্য এবং অংশগ্রহণমূলক হবে। তিনি বলেন, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের অর্থ হলো জনগণের ভোট দেওয়ার পূর্ণ সুযোগ নিশ্চিত করা, কাউকে বঞ্চিত না করা এবং নারী-পুরুষসহ সব ভোটারের মুক্তভাবে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা। রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিযোগিতা ও অংশগ্রহণও এর গুরুত্বপূর্ণ শর্ত। বুধবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে ডিক্যাব আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। রাষ্ট্রদূত বলেন, নির্বাচন শান্তিপূর্ণ হওয়া জরুরি। রাজনৈতিক দলগুলো যেন সহিংসতা থেকে দূরে থাকে এবং শান্তিপূর্ণভাবে প্রচারণা চালাতে পারে। ভোটাররা ভয়মুক্ত পরিবেশে মত প্রকাশ করতে পারবেন এবং বিদেশে থাকা ভোটারদের অংশগ্রহণ ও সঠিক ভোটগণনাও নিশ্চিত করতে হবে—এটাই নির্বাচনের জন্য প্রয়োজনীয় প্যাকেজ। তিনি আরও বলেন, উচ্চ ভোটদানের হার নির্বাচনকে আরও বিশ্বাসযোগ্য করবে। সাধারণত বিশ্বব্যাপী ভোটদানের হার ৫০–৮০ শতাংশের মধ্যে থাকে; ৫০–৬০ শতাংশ ভোটদানও ইতিবাচক সংকেত। তিনি আশা করেন, অন্তর্বর্তী সরকার দেশবাসীকে একটি আনন্দময় নির্বাচন উপহার দেবে। শেখ হাসিনার বিচার প্রসঙ্গে রাষ্ট্রদূত বলেন, ক্ষমতার অপব্যবহারকারীদের বিচার হওয়া প্রয়োজন হলেও জার্মানি কোনোভাবেই ফাঁসির দণ্ড সমর্থন করে না। নির্বাচন শেষে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সংলাপ বা রিকনসিলিয়েশন চলবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন। বিনিয়োগের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশ বিনিয়োগের জন্য উপযুক্ত এবং নির্বাচনের মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়িক সম্পর্কের সুযোগ তৈরি হবে। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ সিকিউরিটি সেক্টর, আইনের শাসন, শ্রম পরিবেশ ও প্রশাসনিক কাঠামোসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার করছে, যেখানে স্বচ্ছতা বৃদ্ধি, দুর্নীতি হ্রাস এবং দক্ষ শাসনের ইচ্ছা দৃশ্যমান।


More News Of This Category
bdit.com.bd