আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মামলার রায় ঘোষণার তারিখ নির্ধারণের প্রেক্ষাপটে সামাজিক মাধ্যমে প্রচার ও ঢাকাকেন্দ্রিক কার্যক্রম ঘোষণা করেছে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ। দলটির সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক ১০ থেকে ১৩ নভেম্বর পর্যন্ত দেশব্যাপী বিক্ষোভ এবং ১৩ নভেম্বর সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ঢাকা মহানগরীতে ‘লকডাউন’ কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
নানক ভিডিও বার্তায় বলেন, “এই লকডাউনে যানবাহন, অফিস-আদালত, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, কল-কারখানা সব বন্ধ রেখে সরকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রকাশ করুন।” এর আগে বিভিন্ন স্থানে গণপরিবহণে অগ্নিকাণ্ড ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। যদিও সরকারের পক্ষ থেকে এসব ঘটনায় আওয়ামী লীগকে দায়ী করা হলেও দলটি তা অস্বীকার করেছে।
লকডাউন কার্যক্রমের দিনে, ১৩ নভেম্বর, রাজধানীতে যানবাহনের সংখ্যা কম দেখা গেছে। রাস্তাঘাটও ছিল কিছুটা ফাঁকা। আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর ব্যাপক উপস্থিতি ছিল বিভিন্ন এলাকায়। পরিস্থিতি শিথিল ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে প্রশাসন সতর্ক অবস্থানে ছিল।