• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
জাপানে নিটসু লজিস্টিকস হাব পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঢাকা-চট্টগ্রামে গ্রিড বিপর্যয়, অধিকাংশ এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের তারিখ পরিবর্তন, নতুন সময়সূচি ৩১ অক্টোবর নতুন পে স্কেলে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন নিয়ে সিদ্ধান্ত অর্থ মন্ত্রণালয়ের হাতে দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শন ও জনসভায় যোগ দিতে রাজশাহীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ৯ মাসে ৫১৮ সাংবাদিক নির্যাতনের শিকার, মব সহিংসতায় নিহত ১৮৭: এইচআরএসএস জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ উদ্বোধনে যাননি কেন, প্রধানমন্ত্রীর ক্ষোভের জবাব দিলেন গোলাম পরওয়ার তেলের দাম ও মূল্যস্ফীতির চাপে কমল স্বর্ণের দর, নজর ফেডের সুদের হার সিদ্ধান্তে লিবিয়ায় নিরাপত্তা বাহিনীর প্রশিক্ষণকেন্দ্রে গোলাবারুদ বিস্ফোরণ, নিহত ৮ ইনফান্তিনোর নেতৃত্ব নিয়ে উয়েফার ৪২ প্রশ্ন, ২ নভেম্বরের মধ্যে জবাব চায় ফিফার ইউরোপীয় সংস্থা

‘রক্ষীবাহিনী নয়’—৮৮৫০ তরুণকে আত্মরক্ষামূলক প্রশিক্ষণ দেবে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়

Rifatuzzaman Prince / ৮০২ Time View
Update : শনিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৫
গণপ্রতিরক্ষা প্রশিক্ষণ ৮৮৫০

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ‘রক্ষীবাহিনী’ নয় বলে জোর দিয়ে বলেছে—তবে তারা আগামী ২ বছরে ১৮ থেকে ৩৫ বছর বয়সী মোট ৮,৮৫০ জন তরুণ-তরুণীকে আত্মরক্ষামূলক প্রশিক্ষণ দেওয়ার একটি পাইলট প্রকল্প গ্রহণ করেছে। প্রশিক্ষণ হবে জুডো, কারাতে, তায়কোয়ান্দো (মার্শাল আর্ট) ও শুটিংসহ মূল আত্মরক্ষামূলক দক্ষতায়। প্রশিক্ষণব্যবস্থা ও ব্যাচ ধারণা বিকেএসপি-র আওতায় নেওয়া হবে। প্রকল্পটি সাতটি কেন্দ্র এবং ১০০টি স্লটে ভাগ করে পরবর্তী ২ বছর ধরে আবাসিকভাবে দেওয়া হবে বলে জানা গেছে; মোট বাজেট ধরা হয়েছে প্রায় ২৮ কোটি টাকা। প্রশিক্ষণার্থীর উপযুক্ত বাছাই স্বচ্ছতার ভিত্তিতে করা হবে—মন্ত্রণালয়ের আইনে-নিয়ম মেনে অনলাইনে আবেদন চলছে বলে সংস্থাগুলো জানিয়েছে। এই উদ্যোগ নিয়ে সামাজিক যেকোনো ভুলফাহমি ও গুজবকে নাকচ করে দিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। তিনি বলেছেন, এটি কোনো মিলিশিয়া বা নতুন বাহিনী তৈরি করার উদ্দেশ্য নয়; এটি একটি গণপ্রতিরক্ষা-ভিত্তিক পাইলট প্রকল্প, যাতে নাগরিকদের মৌলিক আত্মরক্ষামূলক দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে। প্রশিক্ষণের পরে কাউকে অস্ত্র দেওয়া বা রিক্রুট করা হবে না—প্রশিক্ষণার্থীরা তাদের স্বাভাবিক কর্মক্ষেত্রে ফিরে যাবে; কেবল জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনে ডাটাবেস থেকে ডাকার সুবিধা রাখা হবে বলে মন্ত্রণালয় জানিয়েছে। তবে প্রশিক্ষণের ধরণ ও আগ্নেয়াস্ত্র-সংক্রান্ত বিষয়কে ঘিরে নিরাপত্তা-বিশ্লেষকরা ও কিছু সংবাদমাধ্যম সতর্কতা জানিয়েছেন—তারা বলছেন, ‘অগ্নেয়াস্ত্রসংক্রান্ত প্রশিক্ষণ’ হলে স্পষ্ট নির্দেশনা, নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা এবং আইনগত কাঠামো থাকা জরুরি। বিশেষ করে লাইভ-ফায়ারিং, নিরাপত্তা প্রটোকল ও প্রশিক্ষকের যোগ্যতা সম্পর্কে পরিস্কার নিয়ম না থাকলে তা বিতর্কের কারণ হতে পারে। মন্ত্রণালয় বলেছে প্রশিক্ষণে ‘এয়ারগান’ ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে এবং লাইভ-ফায়ারিং নিয়ন্ত্রণে বিশেষ নির্দেশনা থাকবে বলে দাবি করা হয়েছিল। সামাজিক মাধ্যমে এবং কিছু রাজনৈতিক পর্যায়েও এই প্রকল্পকে নিয়ে তীব্র আলোচনা-সমালোচনা দেখা গেছে—কয়েক জন জনপ্রিয়রা ১৯৭২ সালের রক্ষী বাহিনীর সঙ্গে তুলনা করছেন। সরকার পক্ষ বলছে, এসব সমালোচনার পেছনে অবান্তর গুজব বা ভিন্ন উদ্দেশ্য থাকতে পারে এবং বিস্তারিত তথ্য জানতে কেউ চাইলে পাবলিক ডকুমেন্টস অনুযায়ী নির্দেশনা নেওয়ার অনুরোধ করা হচ্ছে।


More News Of This Category
bdit.com.bd