• শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:৩২ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানালেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো জামিনের দিনই আদালত প্রাঙ্গণে বিতর্কে পরীমনি, সাংবাদিকদের সঙ্গে অপ্রীতিকর ঘটনায় সমালোচনা স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসে চাকরির সুযোগ, অভিজ্ঞতা ছাড়াই আবেদন করতে পারবেন ৩২ বছর বয়সীরা বাগেরহাটে হযরত খানজাহান আলীর (রহ.) মাজার জিয়ারত করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসকদের ড্রেসআপ নেই, ডাক্তার নাকি দালাল বোঝা মুশকিল: দুদক চেয়ারম্যান সংসদ অধিবেশন ঘিরে ৮ নভেম্বর রাত থেকে সংসদ ভবন এলাকায় সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ ডিসেম্বরের মধ্যেই পোশাকশ্রমিকদের নতুন ন্যূনতম মজুরি ঘোষণার আশ্বাস সরকারের হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাংলাদেশি জাহাজের নিরাপদ পারাপারে সহযোগিতার আশ্বাস ইরানের সাংবাদিকদের গ্রেফতারে আদালতের পূর্বানুমতির বিধান রাখার আলোচনা, সংশোধন হচ্ছে সাইবার সুরক্ষা আইন দ্বিতীয় পদ্মা-যমুনা সেতু ও পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণের পরিকল্পনা এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসকদের ড্রেসআপ নেই, ডাক্তার নাকি দালাল বোঝা মুশকিল: দুদক চেয়ারম্যান

নিউজ ডেস্ক / ৯ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে দায়িত্ব পালনরত চিকিৎসকদের অনেকের নির্ধারিত পোশাক না থাকায় তারা চিকিৎসক, নার্স নাকি দালাল—তা শনাক্ত করা কঠিন বলে মন্তব্য করেছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান বিচারপতি এ. কে. এম. আসাদুজ্জামান। হাসপাতাল পরিদর্শনে গিয়ে কয়েকজন চিকিৎসককে নিজ নিজ কক্ষে অনুপস্থিত পেয়ে তাঁদের শোকজ করার নির্দেশও দিয়েছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অভিযান ও পরিদর্শনে যান দুদক চেয়ারম্যান।

তিনি বলেন, হাসপাতালের রোগীদের সব সময় অভিযোগ থাকে, তারা যথাযথ চিকিৎসাসেবা পান না এবং চিকিৎসকদেরও অনেক সময় পাওয়া যায় না। বিষয়টি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীও উদ্বিগ্ন। এ কারণে তিনি সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ কয়েকটি হাসপাতাল পরিদর্শন করেছেন। আজ দুদক ঢাকা মেডিকেলে এসেছে। পর্যায়ক্রমে অন্যান্য হাসপাতালেও পরিদর্শন করা হবে।

দুদক চেয়ারম্যান বলেন, ঢাকা মেডিকেলে এসে জরুরি বিভাগের কয়েকটি কক্ষে চিকিৎসকদের পাওয়া যায়নি। জরুরি বিভাগের ডা. তানভীর এবং নিউরোসার্জারি বিভাগের প্রধানকেও তাঁর কক্ষে পাওয়া যায়নি। জরুরি বিভাগে দায়িত্ব পালনকারী চিকিৎসকদের কারও নির্ধারিত পোশাক ছিল না। ফলে তাঁরা চিকিৎসক, নার্স নাকি দালাল, তা বোঝা কঠিন হয়ে পড়েছে। তাঁদের পরিচয় শনাক্ত করা যাচ্ছে না, এমনকি তাঁরা যথাযথভাবে রোগীদের সেবা দিচ্ছেন কি না, সেটিও নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না।

তিনি আরও বলেন, তখন দুপুর সোয়া ১২টা বাজলেও কোনো কোনো চিকিৎসক জানিয়েছেন তাঁরা বাইরে গেছেন, আবার কেউ বলেছেন চা খেতে গেছেন। অন্যদিকে রোগীরা চিকিৎসার প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম খুঁজতে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় ছুটছেন। এতে সাধারণ মানুষ যথাযথ সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। পরিদর্শনে চিকিৎসকদের অনুপস্থিতি, চিকিৎসাকক্ষের অপরিচ্ছন্ন পরিবেশসহ বেশ কিছু অনিয়ম পাওয়া গেছে। এসব ঘটনায় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অনুপস্থিত চিকিৎসকদের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, হাসপাতাল পরিচালককে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকদের শোকজ করতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি দুদকও আইনগত ব্যবস্থা নেবে।

সরকারি হাসপাতালটিতে দালালদের দৌরাত্ম্য এবং চিকিৎসকদের সরাসরি দালালি ও রোগী ভাগানোর সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এসব অভিযোগের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে বেসরকারি হাসপাতালের ব্যবসা বন্ধের বিষয়টি সরকারের দায়িত্ব, এটি দুদকের এখতিয়ারভুক্ত নয়।

এ সময় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ. কে. এম. ফরহাদ হোসেন বলেন, তিনি হাসপাতালে নতুন যোগ দিয়েছেন। দায়িত্ব নেওয়ার পর কিছু পরিবর্তন আনা সম্ভব হয়েছে। দুদক চেয়ারম্যান যেসব অনিয়মের বিষয় তুলে ধরেছেন, সেগুলো সমাধানে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হবে। হাসপাতালকে দালালমুক্ত করতে চিকিৎসকসহ সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতাও চাওয়া হয়েছে।


More News Of This Category
bdit.com.bd