• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৩৫ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
নতুন পে স্কেলে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন নিয়ে সিদ্ধান্ত অর্থ মন্ত্রণালয়ের হাতে দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শন ও জনসভায় যোগ দিতে রাজশাহীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ৯ মাসে ৫১৮ সাংবাদিক নির্যাতনের শিকার, মব সহিংসতায় নিহত ১৮৭: এইচআরএসএস জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ উদ্বোধনে যাননি কেন, প্রধানমন্ত্রীর ক্ষোভের জবাব দিলেন গোলাম পরওয়ার তেলের দাম ও মূল্যস্ফীতির চাপে কমল স্বর্ণের দর, নজর ফেডের সুদের হার সিদ্ধান্তে লিবিয়ায় নিরাপত্তা বাহিনীর প্রশিক্ষণকেন্দ্রে গোলাবারুদ বিস্ফোরণ, নিহত ৮ ইনফান্তিনোর নেতৃত্ব নিয়ে উয়েফার ৪২ প্রশ্ন, ২ নভেম্বরের মধ্যে জবাব চায় ফিফার ইউরোপীয় সংস্থা লাল পেড়ে সাদা শাড়িতে পূজা চেরীর মুগ্ধতা, মহাষ্টমীর সাজে মুগ্ধ ভক্তরা শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংকে চাকরির সুযোগ, আবেদন করা যাবে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত জাতীয়করণ হওয়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের এমপিও ইনডেক্স কর্তনের নির্দেশ

সংরক্ষিত আসনের এমপি হিসেবে বঞ্চিত হওয়ার অভিযোগ মাহমুদা মিতুর

নিউজ ডেস্ক / ৪৪ Time View
Update : রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেত্রী ও সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ডা. মাহমুদা মিতু অভিযোগ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে নিজের এলাকার উন্নয়নে যতটা কাজ করার সুযোগ পাওয়ার কথা ছিল, তিনি ততটা সুযোগ পাননি।

রোববার (৪ অক্টোবর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব অভিযোগ করেন।

মাহমুদা মিতু লেখেন, নির্বাচনের আগে রুমিন ফারহানা একটি ছোট দৈর্ঘ্যের রাস্তার ছবি দিয়েছিলেন। সংরক্ষিত সংসদ সদস্যদের মর্যাদা সমান হলেও তাদের কাজের পরিধি কতটা সীমিত, বিষয়টি তখন তাকে কিছুটা চিন্তিত করেছিল। পাঁচ বছরে যদি একটি ইটের রাস্তা করার মতো কাজই থাকে, তাহলে মানুষের জন্য বড় পরিসরে কাজ করবেন কীভাবে—এমন প্রশ্নও তার মনে এসেছিল।

সংসদ সদস্যদের মূল দায়িত্ব আইন প্রণয়ন এবং রাষ্ট্র পরিচালনায় ভূমিকা রাখা উল্লেখ করে মাহমুদা মিতু বলেন, এলাকার উন্নয়নের জন্য যে বরাদ্দ আসে, তার মাধ্যমে মানুষের জন্য সরাসরি কাজ করার সুযোগ থাকে। এসব বিবেচনা থেকেই তিনি সরাসরি নির্বাচনের স্বপ্ন দেখেছিলেন।

মাহমুদা মিতু বলেন, মাঠে-ঘাটে মানুষের মধ্যে গিয়ে তাদের কথা শোনা এবং তাদের পাশে থাকা তার সবচেয়ে পছন্দের কাজ। তবে শেষ পর্যন্ত যা হয়েছে, সেটিকে তিনি আল্লাহর পরিকল্পনা হিসেবেই দেখছেন।

বিরোধী দলের সংরক্ষিত সংসদ সদস্য হিসেবে নিজের এলাকার জন্য যে পরিমাণ কাজ করার সুযোগ পাওয়ার কথা ছিল, তা পাননি বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তার দাবি, সরকার তাকে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বঞ্চিত করেছে। এর ফলে তার এলাকার মানুষও তাদের প্রাপ্য সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।

তিনি আরও জানান, সরকারের পক্ষ থেকে এলাকায় খুব সামান্য কাবিখা ও কাবিটা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। সেই বরাদ্দ দুই উপজেলায় ভাগ করে দেওয়া হয়েছে। বরাদ্দের পরিমাণ কম হলেও এর এক পয়সাও এদিক-সেদিক হবে না বলে তিনি উল্লেখ করেন।

এলাকার সবচেয়ে খারাপ রাস্তাগুলো নিজে গিয়ে দেখেছেন জানিয়ে মাহমুদা মিতু বলেন, সামনে আরও বরাদ্দ এলে ধাপে ধাপে এসব রাস্তার উন্নয়নে কাজ করা হবে।

দলীয় পরিচয়ের বাইরে গিয়ে বরাদ্দের প্রকৃত হকদারকে তার প্রাপ্য দেওয়ার কথাও জানান তিনি। তার ভাষ্য, এলাকার কোনো বিএনপি কর্মী বা সমর্থক যদি কোনো বরাদ্দের প্রকৃত হকদার হন, তাকেও বঞ্চিত করা হবে না।

মাহমুদা মিতু বলেন, রাজনীতির একটি বড় দিক হলো মানুষের হক নিশ্চিত করা। কোনো কিছু বণ্টনের ক্ষেত্রে নিজের পছন্দের মানুষকে বেশি দেওয়া, কারও প্রাপ্য আটকে রাখা কিংবা দুর্বল মানুষের অধিকার কেড়ে নেওয়ার মতো কাজ তিনি করতে চান না এবং এসবকে প্রশ্রয়ও দিতে চান না। তবে ভুলত্রুটি হতে পারে উল্লেখ করে নিজেকে সংশোধনের জন্য তিনি সব সময় প্রস্তুত থাকার কথাও জানান।

চিকিৎসা পেশা ছেড়ে জুলাইয়ের আন্দোলনে রক্তপাতের পর রাজনীতিতে এসেছেন উল্লেখ করে মাহমুদা মিতু বলেন, মানুষের জন্য কাজ করার স্বপ্ন নিয়েই তার রাজনীতিতে আসা। তিনি নিজে অন্যায় করবেন না এবং কেউ অন্যায় করলে সহজে ছেড়ে দেবেন না।

নিজের এলাকার উন্নয়ন পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি বলেন, তার এলাকা দেশের সবচেয়ে অনুন্নত ১০টি এলাকার মধ্যে একটি। সেখানকার রাস্তাঘাটের অবস্থা অত্যন্ত খারাপ। মানুষের দুর্ভোগ না দেখলে পরিস্থিতি বিশ্বাস করা কঠিন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

মাহমুদা মিতু আরও বলেন, এলাকার সব সংসদ সদস্য দলমতের ঊর্ধ্বে উঠে সমন্বিতভাবে কাজ করতে পারলে আরও বেশি উন্নয়ন করা সম্ভব হতো। তবে এজন্য রাজনৈতিক প্রতিযোগিতার বাইরে গিয়ে বৃহত্তর স্বার্থে কাজ করার মানসিকতা প্রয়োজন।


More News Of This Category
bdit.com.bd