• বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:২৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ১৬৮ বাংলাদেশি এসএসসির খাতা মূল্যায়নে গাফিলতি করা পরীক্ষকদের শাস্তি হবে: শিক্ষামন্ত্রী গুজরাট থেকে বাংলাদেশে আসছে ইলিশ, এবার উল্টো রপ্তানির অনুমতি চাইছে ভারত ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীকে যথাযথ মর্যাদায় আমন্ত্রণ জানানো হয়নি: স্পিকার ডিএজি নজরুল ইসলাম ছোটনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা চেয়ে অ্যাটর্নি জেনারেলের কাছে রুমিন ফারহানার আবেদন নিজ কার্যালয় থেকেই চিকিৎসক-নার্সদের হাজিরা মনিটর করবেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী শেভরনের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনা জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘুষের অভিযোগের তদন্তের পরই বদলি শিক্ষা কর্মকর্তা, উঠছে প্রশ্ন আদানির গোড্ডা কেন্দ্রের ৮০০ মেগাওয়াট ইউনিট থেকে ফের বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ

এসএসসির খাতা মূল্যায়নে গাফিলতি করা পরীক্ষকদের শাস্তি হবে: শিক্ষামন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক / ২ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে গাফিলতি করা শিক্ষকদের জবাবদিহির আওতায় এনে শাস্তি দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত ‘জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষাবৃত্তি ও ভাইস-চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড প্রদান’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এসএসসির খাতা চ্যালেঞ্জ করে ৩ হাজার ৭৯ শিক্ষার্থী নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছে। এতে পরীক্ষকদের খাতা মূল্যায়নের পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। যেসব শিক্ষক পরীক্ষক হিসেবে খাতা যথাযথভাবে মূল্যায়ন করেননি, তাদের অবশ্যই জবাবদিহির আওতায় আনা হবে এবং শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে।

আগামী শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যবই ডিসেম্বরের মধ্যে শিক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছে দেওয়ার বিষয়ে সরকার কাজ করছে বলেও জানান তিনি। এ প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বই সময়মতো শিক্ষার্থীদের কাছে পৌঁছানো নিশ্চিত করতে তারা ব্যস্ত রয়েছেন। ভঙ্গুর একটি পরিস্থিতির মধ্যে দায়িত্ব নেওয়ার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, দুর্নীতিতে সবকিছু জর্জরিত অবস্থায় তারা দায়িত্বে এসেছেন এবং সামনে অনেক চ্যালেঞ্জ রয়েছে।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সেশনজট দূর করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ড. এহছানুল হক মিলন বলেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে আর সেশনজট থাকবে না। শিক্ষার্থীদের পরবর্তী ফলাফল আরও ভালো করার পাশাপাশি পড়াশোনা শেষ করে যেন তারা বেকার না থাকে, সে বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হবে।

তিনি বলেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাসরুম মনিটরিং করতে হবে এবং কারিকুলামে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনতে হবে। একই সঙ্গে শ্রমবাজারের চাহিদা অনুযায়ী নতুন কোর্স চালু ও শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে।

ল কলেজগুলোর বাড়তি ফি আদায়ের প্রসঙ্গেও ক্ষোভ প্রকাশ করেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ল কোর্সের ফরম পূরণের ফি দ্বিগুণ বা তিনগুণ করা হয়েছে বলে সংবাদপত্রে খবর এসেছে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় শুধু আয় বাড়ানোর জন্য নয় এবং শিক্ষার্থীদের ওপর অযৌক্তিক আর্থিক চাপ দেওয়া গ্রহণযোগ্য নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওপর দায় চাপিয়ে এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া চলবে না জানিয়ে সব সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেন শিক্ষামন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেলসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এবার প্রথমবারের মতো ভাইস-চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড চালু করেছে। অনুষ্ঠানে ৫৭ জন শিক্ষার্থীকে এ পুরস্কার দেওয়া হয়। অতিথিরা তাদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।


More News Of This Category
bdit.com.bd