• বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:২৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ১৬৮ বাংলাদেশি এসএসসির খাতা মূল্যায়নে গাফিলতি করা পরীক্ষকদের শাস্তি হবে: শিক্ষামন্ত্রী গুজরাট থেকে বাংলাদেশে আসছে ইলিশ, এবার উল্টো রপ্তানির অনুমতি চাইছে ভারত ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীকে যথাযথ মর্যাদায় আমন্ত্রণ জানানো হয়নি: স্পিকার ডিএজি নজরুল ইসলাম ছোটনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা চেয়ে অ্যাটর্নি জেনারেলের কাছে রুমিন ফারহানার আবেদন নিজ কার্যালয় থেকেই চিকিৎসক-নার্সদের হাজিরা মনিটর করবেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী শেভরনের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনা জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘুষের অভিযোগের তদন্তের পরই বদলি শিক্ষা কর্মকর্তা, উঠছে প্রশ্ন আদানির গোড্ডা কেন্দ্রের ৮০০ মেগাওয়াট ইউনিট থেকে ফের বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ

লেখালেখিতে এআই ব্যবহার স্বীকার করলেন নোবেলজয়ী লেখক ওলগা তোকরচুক

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৮১ Time View
Update : বুধবার, ২০ মে, ২০২৬

নোবেলজয়ী লেখক ওলগা তোকরচুক তার লেখালেখির প্রক্রিয়ায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করার কথা স্বীকার করেছেন। সম্প্রতি পোলিশ ভাষায় দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, তার সর্বশেষ উপন্যাস রচনার সময়ও তিনি এআইয়ের সহায়তা নিয়েছেন।

আন্তর্জাতিক সাহিত্যবিষয়ক সংবাদমাধ্যম লিটহাব জানায়, সাক্ষাৎকারটি প্রথমে পোলিশ ভাষায় প্রকাশিত হয় এবং পরে বিভিন্ন মাধ্যমে তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। লেখক মাক্স সিপোভিজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্লুস্কাইয়ে সাক্ষাৎকারটির গুরুত্বপূর্ণ অংশ অনুবাদ করে প্রকাশ করলে বিষয়টি আরও বেশি আগ্রহের জন্ম দেয়।

সাক্ষাৎকারে ওলগা তোকরচুক বলেন, তিনি লেখার সময় একটি উন্নত এআই মডেলের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেছেন। উপন্যাসের চরিত্রদের সময়কাল অনুযায়ী তারা কী ধরনের গান শুনতে পারতেন—এ ধরনের প্রশ্নও তিনি এআইকে করেছিলেন বলে জানান।

তিনি বলেন, অনেক ক্ষেত্রে এআই তাকে সৃজনশীল ধারণা ও তথ্যগত সহায়তা দিয়েছে। তবে তথ্যভিত্তিক বা অর্থনৈতিক বিষয়ে এআইয়ের সীমাবদ্ধতা ও ভুল থাকতে পারে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

তোকরচুকের মতে, সাহিত্যিক কল্পকাহিনির ক্ষেত্রে এআই একটি সহায়ক টুল হিসেবে কাজ করতে পারে এবং ভবিষ্যতে দীর্ঘ আখ্যান লেখার কাজকে সহজ করে দিতে পারে। তিনি মানব ও যন্ত্রের যৌথ সৃজনশীলতার সম্ভাবনার কথাও তুলে ধরেন।

তবে তিনি এটিও ইঙ্গিত দেন যে, সাহিত্য জগতের ধারা পরিবর্তিত হচ্ছে এবং পাঠকদের আগ্রহও হয়তো দীর্ঘ ও জটিল উপন্যাসের প্রতি আগের মতো থাকবে না। এ কারণে তিনি কিছুটা নস্টালজিয়া বা অতীত সময়ের প্রতি আক্ষেপের কথাও প্রকাশ করেন।


More News Of This Category
bdit.com.bd