ইরানে কয়েক মাস আগে শুরু হওয়া বিক্ষোভ নতুন করে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। জানুয়ারি মাসে তেহরানের গ্র্যান্ড বাজারে মূল্যস্ফীতির প্রতিবাদ থেকে শুরু হওয়া এই আন্দোলন ধীরে ধীরে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে রূপ নেয়। তবে বিক্ষোভ চলাকালে কিছু অস্বাভাবিক ও রহস্যজনক ঘটনার অভিযোগ উঠে এসেছে।
স্থানীয় সূত্রের বরাতে জানা যায়, তেহরানের একটি এলাকায় ঝাড়ুদারের ছদ্মবেশে থাকা এক ব্যক্তি হঠাৎ অস্ত্র বের করে দুই নারীকে গুলি করে। একই ধরনের একটি ঘটনার কথা কাজভিন শহর থেকেও জানা গেছে, যেখানে কোনো বিক্ষোভ ছাড়াই এক নারী ও তার শিশুকে হত্যা করা হয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, এসব ঘটনায় ব্যবহৃত অস্ত্র দেশটির নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে মিল নেই।
এছাড়া বিক্ষোভে অংশ নেওয়া এক ব্যক্তি জানান, মুখোশধারী কিছু দল সমন্বিতভাবে মিছিল পরিচালনা করছিল এবং পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলেই দ্রুত সরে যাচ্ছিল। এই ধরনের কৌশল ইউরোপের কিছু বিক্ষোভে দেখা গেলেও ইরানে এটি নতুন বলে মনে করা হচ্ছে।
বিক্ষোভে নিহতের সংখ্যা নিয়েও রয়েছে ভিন্নমত। সরকারি হিসেবে তিন হাজারের বেশি মৃত্যুর কথা বলা হলেও একটি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা দাবি করেছে, নিহতের সংখ্যা সাত হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে।
এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইসরাইলের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রীর একটি মন্তব্য এবং এক মন্ত্রীর বক্তব্যে ইঙ্গিত পাওয়া যায়, ইরানের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতিতে বিদেশি সম্পৃক্ততা থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।