• বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৪৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ১৬৮ বাংলাদেশি এসএসসির খাতা মূল্যায়নে গাফিলতি করা পরীক্ষকদের শাস্তি হবে: শিক্ষামন্ত্রী গুজরাট থেকে বাংলাদেশে আসছে ইলিশ, এবার উল্টো রপ্তানির অনুমতি চাইছে ভারত ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীকে যথাযথ মর্যাদায় আমন্ত্রণ জানানো হয়নি: স্পিকার ডিএজি নজরুল ইসলাম ছোটনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা চেয়ে অ্যাটর্নি জেনারেলের কাছে রুমিন ফারহানার আবেদন নিজ কার্যালয় থেকেই চিকিৎসক-নার্সদের হাজিরা মনিটর করবেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী শেভরনের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনা জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘুষের অভিযোগের তদন্তের পরই বদলি শিক্ষা কর্মকর্তা, উঠছে প্রশ্ন আদানির গোড্ডা কেন্দ্রের ৮০০ মেগাওয়াট ইউনিট থেকে ফের বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ

আদানি বিদ্যুৎ আমদানিতে বাজারদরের চেয়ে ৫০ শতাংশ বেশি দাম দিচ্ছে বাংলাদেশ: পর্যালোচনা কমিটি

Reporter Name / ৪৬৩ Time View
Update : সোমবার, ২৬ জানুয়ারি, ২০২৬

আদানি পাওয়ারের কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে আমদানি করা বিদ্যুতের জন্য আন্তর্জাতিক বাজারমূল্যের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি দাম দিচ্ছে বাংলাদেশ—এমন তথ্য উঠে এসেছে সরকারের নিযুক্ত একটি উচ্চপর্যায়ের পর্যালোচনা কমিটির প্রতিবেদনে। ওই প্রতিবেদনের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ভারতের ঝাড়খণ্ড রাজ্যের গোড্ডা বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে সরবরাহ করা বিদ্যুতের দাম নিকটতম বেসরকারি প্রতিদ্বন্দ্বীর তুলনায় ৩৯ দশমিক ৭ শতাংশ বেশি নির্ধারণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানির অন্যান্য চুক্তির তুলনায় এই প্রকল্পেই ব্যয় বৃদ্ধির হার সবচেয়ে বেশি।

ন্যাশনাল রিভিউ কমিটি (এনআরসি) জানায়, এই মূল্য বৈষম্য চুক্তির কিছু নির্দিষ্ট শর্তের ফল এবং চুক্তি প্রদানের প্রক্রিয়ায় গুরুতর অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেছে। রয়টার্সের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ বাস্তবসম্মত মূল্যের তুলনায় প্রায় ৫০ শতাংশ বেশি দাম পরিশোধ করছে।

এ বিষয়ে আদানি পাওয়ার জানিয়েছে, পর্যালোচনা কমিটি তাদের সঙ্গে কোনো আলোচনা করেনি কিংবা প্রতিবেদনের কপি সরবরাহ করেনি। ফলে তারা এ বিষয়ে মন্তব্য করতে পারছে না। উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) প্রস্তুত করা এনআরসির এই প্রতিবেদন এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি।

আদানি পাওয়ার দাবি করেছে, বিপুল বকেয়া থাকা সত্ত্বেও তারা বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু রেখেছে, যেখানে অন্যান্য উৎপাদক প্রতিষ্ঠান সরবরাহ কমিয়েছে বা বন্ধ করেছে। কোম্পানির ভাষ্য অনুযায়ী, বকেয়ার কারণে তাদের কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে এবং দ্রুত অর্থ পরিশোধের জন্য বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

এনআরসি প্রতিবেদনে বিদ্যুৎ আমদানির চুক্তিগুলো পুনর্বিবেচনার সুপারিশ করে বলা হয়েছে, যাতে সবচেয়ে আর্থিকভাবে ক্ষতিকর শর্তগুলো পুনরায় আলোচনার সুযোগ সৃষ্টি করা যায়।

কমিটি আরও জানায়, বাংলাদেশের মোট বিদ্যুৎ সরবরাহের ১০ শতাংশের বেশি দেওয়া আদানি বিদ্যুৎকেন্দ্র অতিরিক্ত দামে কয়লা ব্যবহার করছে এবং সেই সঙ্গে ভারতের করপোরেট করের দায়ও বাংলাদেশকে বহন করতে হচ্ছে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, আন্তর্জাতিকভাবে প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী স্বাধীন বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো নিজ নিজ দেশের করপোরেট কর নিজেরাই বহন করে। কিন্তু আদানি পাওয়ার পারচেজ অ্যাগ্রিমেন্টে সেই প্রচলনের ব্যতিক্রম ঘটিয়ে ভারতের করপোরেট করের ব্যয় বাংলাদেশে চাপানো হয়েছে, যা চুক্তির অন্যতম বিতর্কিত দিক বলে উল্লেখ করেছে এনআরসি।


More News Of This Category
bdit.com.bd