• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৪৩ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
যুক্তরাষ্ট্রের ভিজিটর ভিসা নিয়ে বাংলাদেশিদের সতর্ক করল মার্কিন দূতাবাস ঢাকার মেট্রোরেল লাইন-১-এর বড় দুই প্যাকেজ পেল ভারতের এলঅ্যান্ডটি, ব্যয় ৫ হাজার কোটি রুপির বেশি দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে গ্রিড বিপর্যয়: কারণ অনুসন্ধানে বিদ্যুৎ বিভাগের ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি জাপানে নিটসু লজিস্টিকস হাব পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঢাকা-চট্টগ্রামে গ্রিড বিপর্যয়, অধিকাংশ এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের তারিখ পরিবর্তন, নতুন সময়সূচি ৩১ অক্টোবর নতুন পে স্কেলে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন নিয়ে সিদ্ধান্ত অর্থ মন্ত্রণালয়ের হাতে দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শন ও জনসভায় যোগ দিতে রাজশাহীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ৯ মাসে ৫১৮ সাংবাদিক নির্যাতনের শিকার, মব সহিংসতায় নিহত ১৮৭: এইচআরএসএস জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ উদ্বোধনে যাননি কেন, প্রধানমন্ত্রীর ক্ষোভের জবাব দিলেন গোলাম পরওয়ার

জুলাই আন্দোলনে আবু সাঈদ হত্যা মামলা: ট্রাইব্যুনালে নতুন সেফ হাউসের বিস্তারিত জানালেন হাসনাত আবদুল্লাহ

মোঃ সাইফুল ইসলাম / ৩৩১ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২৫

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আবু সাঈদ হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় নতুন সেফ হাউসের তথ্য দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ। মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল–২–এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে তিনি জবানবন্দি দেন। এ মামলায় বেরোবির সাবেক ভাইস চ্যান্সেলর হাসিবুর রশীদসহ মোট ৩০ জন আসামি রয়েছেন। প্রেস ব্রিফিংয়ে হাসনাত জানান, ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই সারাদেশে ছাত্র–জনতার বিক্ষোভে যোগ দেওয়া হয় এবং ওইদিন রংপুরে আবু সাঈদকে গুলি করে হত্যা করা হয়। একইদিন চট্টগ্রামে ছাত্রলীগের হামলায় ওয়াসিম নিহত হন এবং মোট ছয়জন শিক্ষার্থী শহীদ হন। এর পরদিন গায়েবানা জানাজা করতে গেলে গোয়েন্দা সংস্থার বাধা আসে এবং সেদিন রাতেই তাকে এবং অন্যদের তুলে নিয়ে পদ্মায় নেওয়া হয় যেখানে কর্মসূচি প্রত্যাহারের জন্য চাপ প্রয়োগ করা হয়। কোনো বৈঠকে রাজি না হওয়ায় তাদের মৎস্য ভবনের সামনে অবস্থিত একটি গোপন সেফ হাউসে নিয়ে যাওয়া হয়, যা বাইরে থেকে পরিত্যক্ত মনে হলেও ভেতরে আধুনিক যন্ত্রপাতিসহ গোয়েন্দা জিজ্ঞাসাবাদের বিশেষ কক্ষ ছিল। সেখানে রাতভর জিজ্ঞাসাবাদ, চাপ ও পরিবারের ওপর হেনস্তার মাধ্যমে আন্দোলন প্রত্যাহারের ঘোষণা দিতে বাধ্য করার চেষ্টা হয়। তিনি জানান, এজেন্সির একজন তাদের হুমকি দিয়েছিলেন যে তারা যেন সারা দেশের সামনে ঘোষণা দেয় যে আন্দোলন প্রত্যাহার করেছে, তাহলে ভবিষ্যৎ ‘সেটেল’ করে দেওয়া হবে। কিন্তু তারা এতে রাজি হননি। বেলা সোয়া ১১টায় সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়ে দুপুরে বিরতির পর প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয় এবং দুপুর আড়াইটায় তার পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণ নির্ধারিত রয়েছে। ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে ছিলেন প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম এবং সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর মঈনুল করিম, আবদুস সাত্তার পালোয়ানসহ অন্যান্যরা।


More News Of This Category
bdit.com.bd